Advance Tax: আয়করদাতাদের জন্য একটি অত্যন্ত জরুরি খবর। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের অগ্রিম কর বা অ্যাডভান্স ট্যাক্স জমা দেওয়ার চূড়ান্ত সময়সীমা একেবারে দোরগোড়ায়। আগামী ১৫ মার্চ, ২০২৬-এর মধ্যে করদাতাদের এই করের চতুর্থ তথা শেষ কিস্তি জমা করতে হবে। শেষ মুহূর্তের প্রযুক্তিগত সমস্যা বা সার্ভারের ধীরগতি এড়াতে বিশেষজ্ঞরা দ্রুত এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পরামর্শ দিচ্ছেন। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এই বকেয়া কর মেটাতে ব্যর্থ হলে আপনাকে বড়সড় আর্থিক জরিমানার মুখে পড়তে হতে পারে।
Table of Contents
কাদের এই কর জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক?
আয়কর দপ্তরের নিয়ম অনুযায়ী, যে সকল ব্যক্তির বার্ষিক মোট করের পরিমাণ ১০,০০০ টাকার বেশি, তাঁদেরকেই এই অ্যাডভান্স ট্যাক্স দিতে হয়। এই তালিকায় বেতনভুক কর্মচারী থেকে শুরু করে ফ্রিল্যান্সার, ব্যবসায়ী এবং বিভিন্ন পেশার সাথে যুক্ত ব্যক্তিরা রয়েছেন। তবে, এই নিয়মে একটি বিশেষ ছাড় রয়েছে। যে সকল প্রবীণ নাগরিকের (৬০ বছরের বেশি বয়স্ক) নিজস্ব কোনও ব্যবসা নেই, তাঁদের এই অগ্রিম কর জমা দেওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই।
আর্থিক জরিমানার ঝুঁকি ও নিয়ম
আয়কর আইনের ২৩৪বি এবং ২৩৪সি ধারা অনুযায়ী, ১৫ মার্চের মধ্যে আপনার আনুমানিক মোট করের ১০০ শতাংশ সরকারি কোষাগারে জমা পড়া বাধ্যতামূলক। এর আগে তিনটি কিস্তিতে যথাক্রমে ১৫, ৪৫ এবং ৭৫ শতাংশ কর জমা দেওয়ার নিয়ম ছিল। যদি কোনও করদাতা আগামীকালের মধ্যে এই ১০০ শতাংশের কোটা পূরণ করতে না পারেন, তবে বকেয়া পরিমাণের ওপর প্রতি মাসে ১ শতাংশ হারে জরিমানার সুদ ধার্য করা হবে। ফলে অকারণে আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে।
কীভাবে সহজে কর জমা করবেন?
বর্তমানে কর প্রদান প্রক্রিয়া অনেকটাই সহজলভ্য করা হয়েছে। আয়কর দপ্তরের নিজস্ব ই-ফাইলিং পোর্টালে গিয়ে ‘ই-পে ট্যাক্স’ (e-Pay Tax) ব্যবস্থার মাধ্যমে খুব সহজেই অনলাইনে পেমেন্ট করা যায়। এছাড়াও, নেট ব্যাঙ্কিং, ডেবিট কার্ড কিংবা অনুমোদিত ব্যাঙ্কের শাখায় গিয়ে সরাসরি চালানের মাধ্যমেও এই কর জমা দেওয়ার সুবিধা রয়েছে।
ঘোষণাপত্র: এই প্রতিবেদনটি শুধুমাত্র সাধারণ তথ্য প্রদানের উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে। এটি কোনও পেশাদার আর্থিক বা বিনিয়োগ সংক্রান্ত পরামর্শ নয়। কর সংক্রান্ত বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে একজন বিশেষজ্ঞ বা চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টের পরামর্শ নেওয়া বাঞ্ছনীয়।