ডিএ

DA Arrears: শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের বকেয়া মেটানোর নির্দেশিকা ও প্রস্তুতির নিয়ম

A Teacher In A Class Room
A Teacher In A Class Room

DA Arrears: রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা (ডিএ) সংক্রান্ত নির্দেশিকা প্রকাশিত হওয়ার পর শিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মী মহলে স্বাভাবিকভাবেই তুমুল কৌতূহল তৈরি হয়েছে। সাধারণত শিক্ষা দপ্তরের ‘ম্যাচিং অর্ডার’ বা অনুরূপ নির্দেশিকা মূল বিজ্ঞপ্তির কিছুদিন পরেই প্রকাশ করা হয়। নিয়মকানুন প্রায় একই থাকে। তবে আসন্ন নির্বাচনের প্রশিক্ষণের কারণে ব্যস্ততা বাড়বে, তাই আগাম কিছু প্রস্তুতি নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।

সূচিপত্র

বকেয়া টাকা কীভাবে হাতে আসবে?

বকেয়া ডিএ প্রদানের ক্ষেত্রে বিভিন্ন পদমর্যাদার জন্য আলাদা নিয়ম থাকতে পারে। নির্দেশিকা অনুযায়ী যে সম্ভাব্য রূপরেখা পাওয়া যাচ্ছে, তা নিম্নরূপ:

  • শিক্ষক এবং গ্রুপ-সি কর্মী: শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং করণিকদের বকেয়া অর্থ সরাসরি প্রভিডেন্ট ফান্ডে (পিএফ) জমা পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যেখানে সম্ভবত দুই বছরের লক-ইন পিরিয়ড প্রযোজ্য হবে।
  • গ্রুপ-ডি কর্মী: এই কর্মীদের বকেয়া টাকা সরাসরি তাঁদের স্যালারি অ্যাকাউন্টে ঢুকে যাবে।
  • পেনশনার: আর যারা অবসর নিয়েছেন, সেইসব পেনশনার এবং ফ্যামিলি পেনশনারদের প্রাপ্য অর্থ সরাসরি তাঁদের নির্দিষ্ট পেনশন অ্যাকাউন্টে প্রদান করা হবে।
Advertisement

হিসাব এবং সময়কালের বিভাজন

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বকেয়া ডিএ-কে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করে মেটানো হবে। প্রথমত, জানুয়ারি ২০১৬ থেকে ডিসেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত সময়কালের টাকা আগে দেওয়া হবে। এই সময়ে অনলাইন স্যালারি সিস্টেম বা ওএসএমএস চালু থাকার কারণে হিসাব করা অনেক সহজ। দ্বিতীয়ত, এপ্রিল ২০০৮ থেকে ডিসেম্বর ২০১৫ পর্যন্ত হিসাব একটি মনিটরিং কমিটির মাধ্যমে করা হবে। নির্দেশিকার শিরোনামে স্পষ্ট উল্লেখ থাকায়, শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীরাও এই পুরো সময়ের বকেয়া পাবেন বলে নিশ্চিত হওয়া যায়।

আয়কর সংক্রান্ত সুবিধা

বকেয়া টাকা মার্চ মাসে অ্যাকাউন্টে জমা পড়লে অনেকের জন্যই তা চিন্তার কারণ হতে পারত। কারণ, হঠাৎ বড় অঙ্কের টাকা যোগ হলে অনেকেই ইনকাম ট্যাক্সের আওতায় চলে আসতেন। তবে এই টাকা এপ্রিল মাসের শুরুতে বা মাঝামাঝি সময়ে দেওয়া হলে, করদাতারা বড়সড় সমস্যা থেকে রেহাই পাবেন এবং নতুন করে ট্যাক্স জমা করার ঝামেলা থাকবে না।

শিক্ষকদের আগাম প্রস্তুতি

আর মাত্র ১০-১২ দিনের মধ্যে ভোটের ডিউটির প্রশিক্ষণ শুরু হবে। তাই এর আগেই কিছু জরুরি তথ্য নিজেদের কাছে গুছিয়ে রাখা বুদ্ধিমানের কাজ হবে:

  • বেসিক পে-এর হিসাব: জানুয়ারি ২০১৬ থেকে ডিসেম্বর ২০১৯ সময়কালের নিজস্ব ‘বেসিক পে’ কত ছিল, তা লিখে রাখতে হবে।
  • বেসিক পরিবর্তনের খুঁটিনাটি: প্রতি বছর জুলাই মাসের স্বাভাবিক বৃদ্ধি এবং ১০, ২০ বা ১৮ বছরের বেনিফিটের কারণে বেসিক পে-তে কোনো বদল এলে, তার তারিখ ও পরিমাণ নোট করে রাখা দরকার।
  • অ্যাকুইট্যান্স রোল: বিদ্যালয়ের অ্যাকুইট্যান্স রোল থেকে সহজেই এই তথ্যগুলো পাওয়া যাবে।

যেহেতু এখন সম্পূর্ণ সিস্টেম অনলাইন, তাই সদিচ্ছা থাকলে খুব দ্রুত এই পেমেন্ট করা সম্ভব। অযথা চিন্তিত না হয়ে, শুধু এই প্রাথমিক হিসাবগুলো তৈরি রাখলেই চলবে।

Munmun Bera

Munmun Bera

Munmun Bera is a leading financial educator and the founding editor of wbpay.in, specializing in the complex landscape of government payroll systems, including West Bengal State Service Rules (ROPA), Central Government pay commission updates, and national employee financial frameworks like EPF, GPF and Income Tax. With a strong academic background in Finance and over 7 years of deep involvement in… more>>