ডিএ

DA Arrears Payment: বকেয়া ডিএ কীভাবে মিলবে? GPF নাকি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট?

Nabanna With Money
Nabanna With Money

DA Arrears Payment: রাজ্য সরকারি কর্মী এবং অবসরপ্রাপ্তদের মধ্যে বর্তমানে সবচেয়ে চর্চিত বিষয় হলো বকেয়া মহার্ঘ ভাতা বা ডিএ-র টাকা কীভাবে প্রদান করা হবে। মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর সোশ্যাল মিডিয়া বার্তার পর থেকে এই নিয়ে প্রবল জল্পনা তৈরি হয়েছে। তিনি জানিয়েছিলেন, রোপা ২০০৯-এর ভিত্তিতে বকেয়া ডিএ ২০২৬ সালের মার্চ মাস থেকে দেওয়া শুরু হতে পারে। তবে এই বিপুল অঙ্কের বকেয়া টাকা সরাসরি কর্মীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা পড়বে নাকি প্রভিডেন্ট ফান্ডে (GPF) যাবে, তা নিয়ে অনেকের মনেই নানা প্রশ্ন দানা বাঁধছে। এর সম্পূর্ণ উত্তর মিলবে অর্থ দপ্তরের আসন্ন নির্দেশিকা বা বিজ্ঞপ্তিতে। সুপ্রিম কোর্টের স্পষ্ট নির্দেশ থাকায়, আসন্ন নির্বাচনী আচরণবিধি এই আর্থিক প্রক্রিয়াকে কোনোভাবেই আটকাতে পারবে না বলে মনে করা হচ্ছে।

Table of Contents

অবসরপ্রাপ্তদের জন্য সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট

পেনশনার এবং ফ্যামিলি পেনশনারদের ক্ষেত্রে বকেয়া টাকা পাওয়ার পদ্ধতিটি অত্যন্ত সরল এবং স্বচ্ছ। যেহেতু অবসর নেওয়ার পর তাদের কোনো জিপিএফ অ্যাকাউন্ট আর সক্রিয় থাকে না, তাই তাদের বকেয়া ডিএ-র টাকা সরাসরি নিজস্ব পেনশন ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। এ বিষয়ে অন্য কোনো বিকল্প পদ্ধতি বা জটিলতা নেই।

Advertisement

কর্মরত কর্মীদের টাকা কি জিপিএফ-এ যাবে?

যারা বর্তমানে রাজ্য সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে কর্মরত রয়েছেন, তাদের বকেয়া মেটানোর ক্ষেত্রে দুটি সম্ভাব্য উপায় নিয়ে প্রশাসনিক মহলে আলোচনা চলছে। প্রথমত, কর্মীদের স্যালারি অ্যাকাউন্টে সরাসরি টাকা ট্রান্সফার করা হতে পারে, যা কর্মীরা নগদে ব্যবহার করতে পারবেন। দ্বিতীয়ত, জিপিএফ অ্যাকাউন্টে বকেয়া টাকা জমা করা হতে পারে। উল্লেখ্য, অতীতে স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইব্যুনাল (SAT) বকেয়া টাকা জিপিএফ-এ জমা করে সেটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য লক করে দেওয়ার একটি প্রস্তাবের কথা জানিয়েছিল। তবে বাস্তবে কোন পথটি বেছে নেওয়া হবে, তা অর্থ দপ্তরের অফিশিয়াল বিজ্ঞপ্তির ভাষা পড়লে একেবারে স্পষ্ট হবে।

কিস্তি এবং হিসাবের জটিলতা

অনেকের মনেই শঙ্কা রয়েছে যে এত দ্রুত এত কর্মীর বকেয়া টাকার সঠিক হিসাব করা কীভাবে সম্ভব হবে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী আগামী ৩১শে মার্চের মধ্যে প্রথম কিস্তির টাকা মেটানোর কথা রয়েছে, যার মধ্যে ২৫ শতাংশ এবং বাকি ৭৫ শতাংশের নির্দিষ্ট ভাগের উল্লেখ রয়েছে। দ্রুত হিসাব মেলাতে রাজ্য সরকার সম্ভবত শুরুতে একটি থোক টাকা বা লাম্পসাম (Lumpsum) কিস্তি হিসেবে কর্মীদের অ্যাকাউন্টে পাঠাতে পারে। পরবর্তীতে নিখুঁত হিসাব কষে পরের কিস্তিগুলিতে সেই টাকার চূড়ান্ত সমন্বয় বা অ্যাডজাস্টমেন্ট করা হতে পারে।

আগামী দিনের পদক্ষেপ

এখন সকলের নজর অর্থ দপ্তরের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটের দিকে। বিজ্ঞপ্তি আপলোড হওয়া মাত্রই আইনজীবী থেকে শুরু করে কর্মী সংগঠনগুলি সেটি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিশ্লেষণ করবেন। কর্মীদের আপাতত অহেতুক দুশ্চিন্তা না করে সরকারি নির্দেশিকার জন্য ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। মার্চ মাসের মধ্যেই এই আর্থিক লেনদেনের প্রক্রিয়াটি শুরু হয়ে যাওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।

Share
Munmun Bera

Munmun Bera

Munmun Bera is a leading financial educator and the founding editor of wbpay.in, specializing in the complex landscape of government payroll systems, including West Bengal State Service Rules (ROPA), Central Government pay commission updates, and national employee financial frameworks like EPF, GPF and Income Tax. With a strong academic background in Finance and over 7 years of deep involvement in… more>>