Dearness Allowance

Dearness Allowance News: ডিএ বাধ্যমূলক নাকি ঐচ্ছিক, মুখ্যমন্ত্রী বক্তব্যের পর সরকারি কর্মচারী সংগঠনের প্রতিক্রিয়া কী?

Dearness Allowance News: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের মহার্ঘ বকেয়া নিয়ে বিধানসভায় মুখ খুললেন। রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের ডিএ বাধ্যমূলক নয়, ঐচ্ছিক। বিধানসভায় মন্তব্য করলেন মুখ্যমন্ত্রী। এই বক্তব্য প্রসঙ্গে সরকারি কর্মচারী সংগঠনের প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেল।

আজ বিধানসভায় এ নিয়ে মুখ খুললেন মমতা বন্ধ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘ডিএ বাধ্যতামূলক নয়, ঐচ্ছিক বিষয়। বাংলা একমাত্র রাজ্য যারা অবসরকালীন ভাতা দেয়। কারও রাজ্য সরকারের কাজে আপত্তি থাকলে কেন্দ্রীয় সরকারের গিয়ে কাজে যোগ দিন। আমরা তো আটকে রাখিনি। আমরা ৪০-৪৫ দিন ছুটি দিই। কেন্দ্র তিন থেকে চার দিন ছুটি দেয়। কেন্দ্রীয় সরকারের থেকে বেশি ছুটি দিই আমরা। এগুলো সব মাথায় রাখবেন। আমরা দশ বছরে একবার বিদেশ যাওয়ার ব্যবস্থাও করেছি।”

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরো বলেছেন, ‘বামেদের সময়কার ঋণ মেটাতে গিয়েই সব টাকা চলে যাচ্ছে। বামেদের জন্যই এই সমস্যা। ওদের দেনা শোধ করে যেতে হচ্ছে। ২০১৯ সাল পর্যন্ত পঞ্চম বেতন কমিশনকে গুরুত্ব দিয়ে ৯০ শতাংশ মহার্ঘভাতা দিয়েছি। ধাপে ধাপে ১ লক্ষ ৬৬ হাজার ৮৬৫ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। ষষ্ঠ পে কমিশনের সুপারিশ কার্যকর করতে গিয়ে ২ লক্ষ ৫২ হাজার কোটি খরচ হয়েছে। ডিএ দেওয়া এখন সম্ভব নয়। মনে রাখবেন DA দেওয়া বাধ্যতামূলক নয়, কেবল অপশন মাত্র। মনে রাখবেন রাজ্য সরকারি কর্মীরা বছরে বাড়তি ছুটি পান। এমনকি বিদেশে যাওয়ারও সুযোগ আছে।’

মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যের পাল্টা শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক কিংকর অধিকারী বলেন, “দেশ সেবার নামে আখের গোছানো নেতা-মন্ত্রীদের ভাতা বৃদ্ধিটা বাধ্যতামূলক, আর শিক্ষক কর্মচারীদের ডিএ-র বেলা ঐচ্ছিক! বাঃ!? চুরি করা চাকরি গুলো যোগ্যদের ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যাপারে কী বলবেন? ধিক্কার জানানোর ভাষা জানা নেই।”

সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের ভাস্কর ঘোষ বলেন, ‘বাংলার সরকার চলছে সাংবিধানিক কাঠামো মেনে। আমরা নিজেদের যোগ্যতা দিয়ে চাকরি পেয়েছি। আমরা চাই না আমাদের ন্যায্য বেতনের পরিবর্তে ছুটি দেওয়া হোক। নিয়মের বাইরে ছুটি দেওয়ার দরকার নেই। ছুটির দিনেও তো আমাদের খেতে হয়। তার জন্য টাকার দরকার। সেখানে উপযুক্ত পারিশ্রমিক না পেলে আমাদের বেঁচে থাকার অধিকারই তো খর্ব করছে এই সরকার। কর্মচারীদের কোনও ব্যর্থতা নেই। ব্যর্থতা রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর। তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উচিত মুখ্যমন্ত্রীর পদ ছেড়ে দেওয়া।’

Join Telegram groupJoin Now
Join WhatsApp ChannelJoin Now

Related Articles

Back to top button