Pension Hike: ইপিএস পেনশন কি একধাক্কায় বাড়ছে? গিগ ও চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের জন্যও এল বড় সুখবর
EPS Pension Hike: বর্তমান মূল্যবৃদ্ধি এবং চিকিৎসা খরচের কথা মাথায় রেখে এমপ্লয়িজ পেনশন স্কিম, ১৯৯৫ (EPS-95)-এর আওতায় থাকা ন্যূনতম মাসিক পেনশন বাড়ানোর জন্য একটি সংসদীয় প্যানেল জোরদার সুপারিশ করেছে। বর্তমানে এই স্কিমের অধীনে মাসে মাত্র ১,০০০ টাকা পেনশন দেওয়া হয়, যা দিয়ে প্রবীণদের দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটানো কার্যত অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ইপিএস-৯৫ পেনশন বৃদ্ধির জোরালো দাবি ও সুপারিশ
দীর্ঘদিন ধরে ইপিএস-৯৫ স্কিমের পেনশনাররা তাঁদের ন্যূনতম পেনশন ৭,৫০০ টাকা করার দাবিতে সরব হয়েছেন। সম্প্রতি দিল্লির যন্তর মন্তরে তাঁরা এই দাবিতে টানা তিন দিনের বিক্ষোভও প্রদর্শন করেন। শ্রম, বস্ত্র এবং দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটি তাদের পঞ্চদশ প্রতিবেদনে স্পষ্ট জানিয়েছে যে, বর্তমান বাজারদর এবং মূল্যবৃদ্ধির নিরিখে ১,০০০ টাকা একেবারেই অপর্যাপ্ত। সরকারের তরফ থেকে বর্তমানে যে বাজেট সহায়তা এবং ১.১৬ শতাংশ অনুদান দেওয়া হচ্ছে, তা উল্লেখ করলেও কমিটি মনে করে যে, প্রবীণ নাগরিকদের সম্মানজনক জীবনযাপনের জন্য এই ভাতা অবিলম্বে পর্যালোচনা করে বৃদ্ধি করা অত্যন্ত জরুরি।
গিগ ও চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের জন্য সামাজিক সুরক্ষা
পেনশনারদের পাশাপাশি, অসংগঠিত খাতের কর্মীদের কল্যাণেও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছে সংসদীয় কমিটি। শহর অঞ্চলে সাপ্লাই চেইনে কর্মরত গিগ কর্মীদের ই-শ্রম পোর্টালে বাধ্যতামূলকভাবে নথিভুক্ত করার কথা বলা হয়েছে। এই রেজিস্ট্রেশন অন্তত এক বছরের জন্য বৈধ থাকতে হবে এবং তাঁদের দুর্ঘটনা বিমা ও অন্যান্য সামাজিক সুরক্ষার আওতায় আনতে হবে। এছাড়া, চুক্তিভিত্তিক কর্মীরা কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনার শিকার হলে যাতে দ্রুত ইএসআই (ESI) এবং পিএফ (PF)-এর মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ পান, তা নিশ্চিত করতে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারকে একটি নজরদারি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে বলা হয়েছে।
খনি শ্রমিকদের নিরাপত্তা ও শ্রম কোড বাস্তবায়ন
শ্রমিকদের সার্বিক উন্নয়নের জন্য ইএসআইসি (ESIC)-তে মজুরির ঊর্ধ্বসীমা দ্রুত সংশোধন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, যাতে আরও বেশি সংখ্যক কর্মী এই সুবিধার আওতায় আসতে পারেন। পাশাপাশি, খনি শ্রমিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বেআইনি খনির বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া এবং ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ মাইনস সেফটি (DGMS)-তে শূন্যপদ পূরণের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। শ্রম কোডগুলি সঠিকভাবে বাস্তবায়নের জন্য কেন্দ্র ও রাজ্যের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি স্থায়ী সমন্বয় বোর্ড গঠনেরও সুপারিশ করেছে কমিটি।