Recruitment News

SSC: “আমরা বলতে বাধ্য হচ্ছি যে আপনারা কিছু লুকোতে চাইছেন”- এসএসসিকে ভৎসনা হাই কোর্টের

বিচারপতি প্রশ্ন করেন যে ওএমআর টেম্পারিং এবং র‍্যাঙ্ক জাম্পিং ছাড়াও আর কী কী অভিযোগ ছিল?

SSC: স্কুল সার্ভিস কমিশন কলকাতা হাইকোর্টে ফের প্রশ্নের মুখে। ‘তথ্য দিতে লজ্জা কেন? কিছু লুকাচ্ছেন?’ কমিশনকে ভৎসনা আদালতের। সোমবার ভর্ৎসনা করে বিচারক বলেন, ‘আমরা গত এক মাস ধরে স্কুল সার্ভিস কমিশনের সাহায্য চাইছি। কিন্তু আমরা বলতে বাধ্য হচ্ছি যে আপনারা কিছু আড়াল করার চেষ্টা করছেন।’ কমিশনকে আবার রিপোর্ট জমা দিতে বলেছে।

সুপ্রিম কোর্ট স্কুল সার্ভিস কমিশনকে নিয়োগ দুর্নীতির মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি করতে বলেছে। বিশেষ বেঞ্চ গঠন করে শুনানি চলছে। স্কুল সার্ভিস কমিশনও কলকাতা হাইকোর্টে একাধিক হলফনামা জমা দিয়েছে। দুর্নীতির অভিযোগে কমিশন যখন জেরবার, তখন ডিভিশন বেঞ্চে আবারও এসএসসি নিন্দার মুখে পড়ল।

নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বিচারপতি এসএসসির প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, ‘আমরা প্রথম দিন থেকেই জানতে চাই এসএসসির মাধ্যমে সুপারিশপত্র দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো ভুল ছিল কি না? থাকলে সেটা কি আপনারা খুঁজে পেয়েছেন কিনা?’ জবাবে কমিশন বলেছে, ‘আমরা অনেক অনিয়ম খুঁজে পেয়েছি। সেগুলো আদালতের সামনে পেশ করেছি। তারপর আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী কাজ করেছি।’

এসএসসি তখন দাবি করেছিল যে গ্রুপ সি এবং গ্রুপ ডি পদের জন্য সুপারিশপত্র প্রত্যাহারের জন্য কমিশনের আইনে কোনও বিধি নেই। বিচারক জানতে চান কমিশনের সুপারিশকৃত ব্যক্তি ছাড়া অন্য কেউ নিয়োগপত্র পেয়েছেন কি না? বিচারক এও মন্তব্য করেছেন যে এর জন্য সিবিআই-এর তদন্তের প্রয়োজন নেই।

এরপর বিচারপতি সরাসরি ভর্ৎসনা করে বলেন, “কমিশন কেন সব তথ্য আদালতের সামনে নিয়ে আসতে লজ্জা পাচ্ছে? গত প্রায় ১ মাস ধরে আমরা স্কুল সার্ভিস কমিশনের কাছ থেকে সাহায্য চাইছি। কিন্তু আমরা বলতে বাধ্য হচ্ছি যে আপনারা কিছু লুকোতে চাইছেন।”

বিচারপতি প্রশ্ন করেন যে ওএমআর টেম্পারিং এবং র‍্যাঙ্ক জাম্পিং ছাড়াও আর কী কী অভিযোগ ছিল? কমিশন বলেছে, প্যানেলের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও সুপারিশপত্র দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দিতে কমিশনকে আবারও সময় দিয়েছে আদালত। বুধবার কমিশন রিপোর্ট দেবে।

Join Telegram groupJoin Now
Join WhatsApp ChannelJoin Now

Related Articles

Back to top button