All in One Income Tax Calculator FY 2025-26

Download Now!
পশ্চিমবঙ্গ

WB Voter List: কারা ভোট দিতে পারবেন? দেখে নিন ভোটার তালিকার নতুন ৩টি ক্যাটাগরি

WB Voter List: পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ভোটার তালিকা সংশোধনের (SIR) কাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে। নির্বাচন কমিশনের SIR প্রক্রিয়া শেষে রাজ্যের নাগরিকদের ভোটাধিকার নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন ও কৌতূহল তৈরি হয়েছে। অনেকেই নিশ্চিত নন যে চূড়ান্ত তালিকায় তাদের নাম রয়েছে কি না। নির্বাচন কমিশন ভোটারদের বর্তমান অবস্থান বা স্ট্যাটাস অনুযায়ী মূলত তিনটি ভাগে ভাগ করেছে। আপনার নাম কোন বিভাগে পড়েছে, তার ওপরই নির্ভর করবে আপনি আগামী ২০২৬-এর নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন কি না।

ভোটারদের বর্তমান স্ট্যাটাস বা বিভাগসমূহ

SIR-এর চূড়ান্ত তালিকা অনুযায়ী ভোটারদের মূলত তিনটি ভিন্ন ক্যাটাগরিতে চিহ্নিত করা হয়েছে। আপনার নামের পাশে কী লেখা আছে, তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ:

  • ফ্রেশ ক্যাটাগরি (Fresh Category): এই তালিকার ভোটাররা সবথেকে নিরাপদ অবস্থানে রয়েছেন। যদি আপনার নামের পাশে বা উপরে কোনো বিশেষ রিমার্কস না থাকে, তবে ধরে নেওয়া হবে আপনি ‘ফ্রেশ’ ভোটার। অর্থাৎ, আপনার ভোটদানে কোনো বাধা নেই।
  • বিচারাধীন বা আন্ডার অ্যাডজুডিকেশন (Under Adjudication): এই ক্যাটাগরিটি বেশ জটিল। যাদের নামের পাশে এই শব্দটি লেখা রয়েছে, তাদের ভোটাধিকার বর্তমানে বিচারপতির পর্যালোচনার অধীনে রয়েছে।
  • ডিলিটেড বা বাতিল (Deleted): যাদের নাম তালিকা থেকে সরাসরি বাদ দেওয়া হয়েছে। এই অবস্থায় থাকলে আপনি সরাসরি ভোট দিতে পারবেন না।

‘আন্ডার অ্যাডজুডিকেশন’ থাকলে কী করবেন?

অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে, নাম কেন বিচারাধীন তালিকায় গেল? মূলত নথিপত্রের অসংগতি বা প্রমাণের অভাবেই এমনটা হয়। মনে রাখবেন, কেবল আধার কার্ড বা রেশন কার্ড থাকলেই হবে না, নির্বাচন কমিশন দ্বারা নির্ধারিত ১১টি নির্দিষ্ট নথির মধ্যে যেকোনো একটির সঠিক প্রমাণ থাকা বাধ্যতামূলক।

যাদের নাম এই তালিকায়, তাদের ভাগ্য এখন বিচারকদের হাতে। যদি বিচারক মনে করেন আপনার দেওয়া নথিপত্র সঠিক, তবেই নাম চূড়ান্ত তালিকায় ফিরবে। তবে এখান থেকে খুব কম সংখ্যক মানুষই ‘সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট’-এ জায়গা পান। যদি বিচার প্রক্রিয়া চলাকালীন নাম বাতিল হয়ে যায়, তবে আগামী নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সুযোগ থাকবে না।

নাম বাদ পড়লে বা ডিলিট হলে ফিরে পাওয়ার উপায়

কারও নাম যদি ‘ডিলিটেড’ তালিকায় চলে যায়, তবে হতাশ হওয়ার কিছু নেই, তবে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। সাধারণত ১৫ দিনের একটি সময়সীমা থাকে। এই সময়ের মধ্যে ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেট (DM) বা ডিও (DO)-র কাছে নির্দিষ্ট কারণ দর্শিয়ে আবেদন করতে হয়।

নাম ফেরানোর প্রক্রিয়া:

  • আপনাকে নতুন করে ভোটার হওয়ার জন্য ‘ফর্ম ৬’ (Form 6) পূরণ করতে হবে।
  • আবেদনের সাথে সমস্ত বৈধ সাপোর্টিং ডকুমেন্ট বা নথিপত্র জমা দিতে হবে।
  • যথাযথ ভেরিফিকেশন বা যাচাইকরণ প্রক্রিয়ার পর যদি আধিকারিকরা সন্তুষ্ট হন, তবেই আপনার নাম সাপ্লিমেন্টারি লিস্টে যুক্ত করা হবে।

নির্বাচনের আগে শেষ মুহূর্তের জটিলতা এড়াতে এখনই নিজের স্ট্যাটাস যাচাই করে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ। যদি কোনো সংশয় থাকে, তবে স্থানীয় বিএলও (BLO) বা নির্বাচনী দপ্তরে যোগাযোগ করুন। সঠিক সময়ে সঠিক নথি জমা না দিলে আগামী বিধানসভা নির্বাচনে আপনার ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ হাতছাড়া হতে পারে।

WBPAY Team

আমাদের প্রতিবেদন গুলি WBPAY Team এর দ্বারা যাচাই করে লেখা হয়। আমরা একটি স্বাধীন প্ল্যাটফর্ম যা পাঠকদের জন্য স্পষ্ট এবং সঠিক খবর পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের লক্ষ্য এবং সাংবাদিকতার মান সম্পর্কে জানতে, অনুগ্রহ করে আমাদের About us এবং Editorial Policy পৃষ্ঠাগুলি পড়ুন।
Back to top button