[New] 2016 থেকে 2019 পর্যন্ত বকেয়া ডিএ ক্যালকুলেটর

Calculate Now!
ডিএ

West Bengal DA: রোপা ২০১৯-এ ডিএ গায়েব? রাজ্য সরকারি কর্মীদের বকেয়া নিয়ে হাইকোর্টে বড় পদক্ষেপ

West Bengal DA: রাজ্যের সরকারি কর্মচারী এবং শিক্ষকদের জন্য ফের আশার আলো। দীর্ঘদিনের মহার্ঘ ভাতা বা ডিএ নিয়ে টানাপোড়েনের মধ্যেই এবার কলকাতা হাইকোর্টে সম্পূর্ণ নতুন একটি আইনি লড়াই শুরু হতে চলেছে। বকেয়া পাওনা এবং নতুন পে কমিশনের অসংগতিকে হাতিয়ার করে সম্প্রতি এই পিটিশনটি দায়ের করা হয়েছে, যা নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজ্য জুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রাজ্য সরকারি কর্মচারী সংগঠন “ইউনিটি ফোরামের” পক্ষ থেকে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

আইনি অধিকার ও সম্ভাব্য সুবিধাভোগী

মহার্ঘ ভাতা কোনো দয়ার দান নয়, বরং এটি কর্মীদের একটি প্রতিষ্ঠিত আইনি অধিকার। পূর্ববর্তী একাধিক রায়ে, যা খোদ সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত বহাল রেখেছে, এই বিষয়টি স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। নতুন এই মামলার রায় যদি আবেদনকারীদের পক্ষে যায়, তবে রাজ্যের সমস্ত সরকারি কর্মচারী, স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং ডিএ পাওয়ার যোগ্য প্রতিটি মানুষ সরাসরি আর্থিকভাবে উপকৃত হবেন।

৪৮ মাসের বকেয়া ও রোপা বিতর্কের মূল কারণ

এই নতুন মামলার মূল নিশানায় রয়েছে দুটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। প্রথমত, ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে শুরু করে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত দীর্ঘ ৪৮ মাসের মহার্ঘ ভাতার কোনো হিসাব সরকার দেয়নি বলে অভিযোগ করা হয়েছে। দ্বিতীয়ত, ‘রোপা ২০১৯’ (ROPA 2019) কার্যকর হওয়ার পর সেখানে মহার্ঘ ভাতার কোনো উল্লেখ রাখা হয়নি। মামলাকারীদের জোরালো দাবি, বর্তমান ডিএ-কে অবিলম্বে এই নতুন পে কমিশনের অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

সুপ্রিম কোর্টের মামলা এবং সর্বভারতীয় সূচক

অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে যে, শীর্ষ আদালতে তো ইতিমধ্যেই একটি মামলা চলছে, তাহলে এই নতুন মামলার প্রাসঙ্গিকতা কোথায়? আইনজীবীদের মতে, যেহেতু এই নির্দিষ্ট ৪৮ মাসের বকেয়া নিয়ে কোনো সুরাহা হয়নি, তাই এই দাবিটি সম্পূর্ণ আইনিভাবে বৈধ এবং এর সাথে শীর্ষ আদালতের পুরোনো মামলার কোনো সরাসরি সংঘাত নেই।

পাশাপাশি, এই পিটিশনে সর্বভারতীয় ভোক্তা মূল্য সূচক (AICPI) অনুযায়ী ডিএ প্রদানের দাবি তোলা হয়েছে। এই সূচকটি সমগ্র দেশের জন্য অভিন্ন। তাই রাজ্যভেদে মহার্ঘ ভাতার হার কম বা বেশি হওয়ার কোনো যুক্তিগ্রাহ্য সুযোগ নেই বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

আগামী দিনে কী হতে চলেছে?

ইতিমধ্যেই পূর্বের ডিভিশন বেঞ্চের দেওয়া নির্দেশনামা এই নতুন পিটিশনের সাথে যুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। মামলাকারীদের তরফ থেকে আগামী ৬ই এপ্রিলের দিকে হাইকোর্টে প্রথম শুনানির একটি সম্ভাব্য তারিখ চাওয়া হয়েছে। ওই দিন আদালতে ঠিক কী ঘটে, তার ওপর ভিত্তি করেই এই মহার্ঘ ভাতা সংক্রান্ত লড়াইয়ের ভবিষ্যৎ গতিপ্রকৃতি নির্ধারণ করা হবে।

WBPAY Team

আমাদের প্রতিবেদন গুলি WBPAY Team এর দ্বারা যাচাই করে লেখা হয়। আমরা একটি স্বাধীন প্ল্যাটফর্ম যা পাঠকদের জন্য স্পষ্ট এবং সঠিক খবর পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের লক্ষ্য এবং সাংবাদিকতার মান সম্পর্কে জানতে, অনুগ্রহ করে আমাদের About us এবং Editorial Policy পৃষ্ঠাগুলি পড়ুন।
Back to top button