WB Assembly Election: আজই ভোট ঘোষণা! পশ্চিমবঙ্গের ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট, এবার কত দফায় ভোট?
WB Assembly Election: পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মহলে দীর্ঘদিন ধরে চলা প্রতীক্ষার অবসান হতে চলেছে। আজই জানা যাবে আগামী বিধানসভা নির্বাচনের চূড়ান্ত দিনক্ষণ। রাজ্যবাসীর পাশাপাশি সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলির নজর এখন দিল্লির দিকে, কারণ খুব শীঘ্রই ভারতের নির্বাচন কমিশন এই রাজ্যের ভোট সংক্রান্ত যাবতীয় জল্পনার অবসান ঘটাবে। সাধারণ মানুষের মনে এখন একটাই প্রশ্ন, ঠিক কবে থেকে শুরু হচ্ছে এবারের ভোট উৎসব।
দিল্লিতে বড় ঘোষণার প্রস্তুতি ও আদর্শ আচরণবিধি
আজ বিকেল ৪টের সময় দিল্লির বিজ্ঞানভবনে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সাংবাদিক বৈঠক আয়োজিত হতে চলেছে। ভারতের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক শ্রী জ্ঞানেশ কুমার এবং তাঁর অন্যান্য সহযোগীরা এই প্রেস কনফারেন্সের মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গসহ মোট পাঁচটি রাজ্যের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের সম্পূর্ণ সূচি প্রকাশ করবেন। এই ঘোষণা সম্পন্ন হওয়ার মুহূর্ত থেকেই সারা রাজ্যজুড়ে ‘মডেল কোড অফ কন্ডাক্ট’ বা আদর্শ নির্বাচনী আচরণবিধি সঙ্গে সঙ্গে চালু হয়ে যাবে। এর অর্থ হল, বর্তমান রাজ্য সরকার আর কোনো নতুন জনকল্যাণমূলক প্রকল্প বা বড় কোনো নীতিগত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করতে পারবে না।
ভোটের দফায় ব্যাপক পরিবর্তনের সম্ভাবনা
গত কয়েকটি বড় নির্বাচনে রাজ্যে সাত বা আট দফায় দীর্ঘমেয়াদী ভোটগ্রহণ পর্ব অনুষ্ঠিত হয়েছিল। তবে এবার সেই নিয়মে বড়সড় রদবদল আসতে চলেছে বলে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক মহলে জোরালো ইঙ্গিত মিলেছে। সাধারণ নাগরিক, নিরাপত্তা বাহিনী ও ভোটকর্মীদের সার্বিক সুবিধার কথা মাথায় রেখে এবার মাত্র দুই থেকে তিন দফায় সম্পূর্ণ নির্বাচন প্রক্রিয়া গুটিয়ে আনা হতে পারে। অনুমান করা হচ্ছে যে, আগামী ১৫ই এপ্রিলের পর প্রথম দফার ভোট শুরু হতে পারে। যেহেতু বর্তমান পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার মেয়াদ আগামী ৭ই মে শেষ হচ্ছে, তাই তার আগেই সম্পূর্ণ ভোট প্রক্রিয়া ও ফলাফল ঘোষণার কাজ শেষ করা সাংবিধানিকভাবে বাধ্যতামূলক।
সরকারি কর্মী ও ভোটকর্মীদের প্রস্তুতি পর্ব
নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই ভোট পরিচালনার জন্য নিযুক্ত সরকারি কর্মীদের দায়িত্ব বহুগুণ বেড়ে যায়। খুব শীঘ্রই তাদের জন্য প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক দাপ্তরিক কাজ শুরু হতে চলেছে। নির্বাচন কমিশন নিয়মিতভাবে এই সংক্রান্ত সমস্ত আপডেট কর্মীদের কাছে পৌঁছে দেবে বলে জানানো হয়েছে। এর পাশাপাশি, রাজ্যে নতুন বেতন কমিশনের কমিটি গঠন নিয়েও একটি ইতিবাচক প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। সরকারি কর্মচারীরা গভীরভাবে আশা করছেন যে, ভোটের নির্ঘণ্ট আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণার ঠিক আগেই হয়তো এই পে কমিশন সংক্রান্ত কমিটি গঠনের বহুপ্রতিক্ষিত সুখবর আসতে পারে।