Election Duty Form: বিধানসভা নির্বাচনে ডিউটি? ফর্ম ১২ ও ১২এ পূরণের সহজ গাইডলাইন
Election Duty Form: বিধানসভা নির্বাচনে ডিউটি পড়লে নিজের ভোট কীভাবে দেবেন, তা নিয়ে অনেকেই চিন্তায় থাকেন। ভোটকর্মীদের নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ সুনিশ্চিত করতে জাতীয় নির্বাচন কমিশন দুটি বিশেষ ফর্মের ব্যবস্থা করেছে। এই ফর্মগুলো সঠিকভাবে পূরণ করা অত্যন্ত জরুরি, কারণ এর মাধ্যমেই কর্মীরা ব্যালটের মাধ্যমে ভোটদান করতে পারেন।
কোন ফর্ম কার জন্য প্রযোজ্য
মূলত ফর্ম ১২ এবং ফর্ম ১২এ এই দুটির মাধ্যমে ভোটকর্মীরা ভোটদান করতে পারেন। ডিউটি যদি নিজের বিধানসভা এলাকার বাইরে পড়ে, তবে পোস্টাল ব্যালটের সুবিধা পেতে ফর্ম ১২ ব্যবহার করতে হবে। অন্যদিকে, নিজের বিধানসভা এলাকার ভেতরেই ডিউটি পড়লে ইলেকশন ডিউটি সার্টিফিকেট (EDC) এর মাধ্যমে ভোট দেওয়ার জন্য ফর্ম ১২এ পূরণ করতে হয়। মজার বিষয় হলো, প্রথম ট্রেনিংয়ের সময় ডিউটির স্থান জানা যায় না। তাই পুরুষ কর্মীদের ক্ষেত্রে দুটি ফর্মই জমা দেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ। মহিলাদের সাধারণত স্থানীয় এলাকায় ডিউটি পড়ে বলে তাঁদের ক্ষেত্রে শুধু ফর্ম ১২এ পূরণ করলেই চলে।
ফর্ম পূরণের আগে কী কী প্রস্তুত রাখবেন
ফর্ম জমা দেওয়ার জন্য বেশ কিছু তথ্য ও নথির দরকার হয়। আপনার ভোটার কার্ড এবং প্রথম ট্রেনিংয়ের অ্যাপয়েন্টমেন্ট লেটারের জেরক্স কপি সঙ্গে রাখতে ভুলবেন না। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নিজের পার্ট নম্বর ও সিরিয়াল নম্বর জানা। এটি জানতে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের অফিশিয়াল পোর্টাল (voters.eci.gov.in) ভিজিট করুন। সেখানে ‘Search in Electoral Roll’ অপশনে গিয়ে নিজের এপিক নম্বর ও রাজ্যের নাম দিয়ে সার্চ করলেই প্রয়োজনীয় নম্বরগুলো পেয়ে যাবেন। পাশাপাশি, অ্যাপয়েন্টমেন্ট লেটারে থাকা ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য মিলিয়ে দেখা খুব জরুরি। ভুল থাকলে সেটি পেন দিয়ে ঠিক করে জমা দেওয়া উচিত।
ফর্ম কীভাবে পূরণ করবেন
ফর্ম ১২: এখানে আপনার বিধানসভা কেন্দ্রের নাম ও নম্বর লিখতে হবে। এরপর ভোটার তালিকা অনুযায়ী নিজের নাম, সিরিয়াল ও পার্ট নম্বর উল্লেখ করুন। পোস্টাল ব্যালটটি যে ঠিকানায় পেতে চান, সেই সম্পূর্ণ ঠিকানা পিন কোড সহ সঠিকভাবে লিখবেন। সবশেষে নিজের সই, মোবাইল নম্বর ও এপিক নম্বর দিতে হবে।
ফর্ম ১২এ: এই ফর্মে রিটার্নিং অফিসারের উদ্দেশ্যে নিজের বিধানসভা এবং সংশ্লিষ্ট লোকসভা কেন্দ্রের নাম ও নম্বর লিখতে হয়। যেহেতু প্রথমে ডিউটির নির্দিষ্ট বুথ জানা থাকে না, তাই সেই জায়গাটি ফাঁকা রাখতে পারেন। নিজের পার্ট ও সিরিয়াল নম্বর লেখার পর ফর্মে পূর্ণ স্বাক্ষর করে যোগাযোগের নম্বর দিয়ে জমা দিন।
জমা দেওয়ার সময়সীমা
এই ফর্মগুলি মূলত প্রথম দফার প্রশিক্ষণের দিনেই জমা দিতে হয়। তাই আগে থেকেই সমস্ত প্রস্তুতি সেরে রাখা উচিত যাতে শেষ মুহূর্তে কোনো বিভ্রান্তি তৈরি না হয় এবং সহজেই নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করা যায়।