DA Case Update: পশ্চিমবঙ্গের সরকারি কর্মচারীদের মহার্ঘ ভাতা (ডিএ) সংক্রান্ত বহু প্রতীক্ষিত মামলার শুনানি আগামী ১৪ই মে, ২০২৫ (বুধবার) সুপ্রিম কোর্টে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। দুপুর ২টোয় এই শুনানি শুরু হওয়ার কথা। তবে, শুনানির সময়সীমা নিয়ে একটি নতুন তথ্য সামনে এসেছে, যা কর্মচারী মহলে জল্পনা বাড়িয়েছে।
সূচিপত্র
মামলার সাম্প্রতিক পরিস্থিতি ও বেঞ্চ পরিবর্তন
সম্প্রতি এই মামলার জন্য গঠিত বেঞ্চে পরিবর্তন আনা হয়েছে। মামলাটি বিচারপতি সঞ্জয় ক্যারল এবং বিচারপতি মনোজ মিশ্রের ডিভিশন বেঞ্চে তালিকাভুক্ত হয়েছে। উল্লেখ্য, পূর্বেও এই বেঞ্চেই মামলাটি বিচারাধীন ছিল, মাঝে একটি তিন বিচারপতির বেঞ্চে গেলেও তা আবার আগের বেঞ্চে ফিরে এসেছে। এই পরিবর্তন মামলার গতিপ্রকৃতিতে কেমন প্রভাব ফেলবে, তা ভবিষ্যৎই বলবে।
শুনানির জন্য নির্ধারিত সময়: ৫৫ মিনিটের জল্পনা
বিভিন্ন সূত্র অনুযায়ী, বিশেষ করে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের সংগঠন কনফেডারেশন অফ স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, ১৪ই মে দুপুর ২টোয় শুনানি শুরু হলেও বিচারপতিদের হাতে আনুমানিক ৫৫ মিনিট সময় থাকতে পারে। এর কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, বিচারপতি সঞ্জয় ক্যারল দুপুর ৩টে থেকে অন্য একটি বিশেষ বেঞ্চে মামলার শুনানিতে অংশ নেবেন।
কনফেডারেশনের নেতৃত্ব অবশ্য মনে করছেন, মামলার নিষ্পত্তির জন্য এই সময় যথেষ্ট। তাঁদের মতে, পুরো শুনানি শেষ হতে ২০-২৫ মিনিট সময় লাগতে পারে। দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা এই মামলায় এর আগেও বহুবার শুনানির দিন পিছিয়েছে, যা স্বাভাবিকভাবেই কর্মচারী মহলে হতাশার সৃষ্টি করেছে।
কর্মচারীদের আশা ও মামলার প্রেক্ষাপট
কেন্দ্রীয় হারে ডিএ পাওয়ার দাবিতে রাজ্য সরকারি কর্মীরা দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করছেন। কলকাতা হাইকোর্ট কর্মচারীদের পক্ষে রায় দিলেও রাজ্য সরকার সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যায়। বারবার শুনানি পিছিয়ে যাওয়ায় চূড়ান্ত রায়ের জন্য অপেক্ষা দীর্ঘতর হচ্ছে। ১৪ই মে-র এই শুনানি রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার অবসান ঘটাতে পারে কিনা এবং তাঁদের ন্যায্য পাওনা নিয়ে কোনও দিশা দেখাতে পারে কিনা, সেই দিকেই তাকিয়ে আছেন সকলে।
দ্রষ্টব্য: শুনানির জন্য ৫৫ মিনিট সময় একটি আনুমানিক হিসাব যা বিচারপতির অন্য কাজের সময়সূচীর উপর ভিত্তি করে অনুমান করা হয়েছে। এটি আদালতের দ্বারা নির্ধারিত আনুষ্ঠানিক সময়সীমা নয়।
