WB DA Arrears: মার্চ শেষ হতে চললেও মিলল না বকেয়া ডিএ, ফের বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক সরকারি কর্মীদের
WB DA Arrears: রাজ্য সরকার এবং সরকারি কর্মীদের মধ্যে মহার্ঘ ভাতা বা ডিএ নিয়ে জটিলতা কমার কোনো লক্ষণই দেখা যাচ্ছে না। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ এবং রাজ্য সরকারের তরফে ৪ শতাংশ বৃদ্ধির ঘোষণার পরেও পরিস্থিতি উত্তপ্তই রয়েছে। দীর্ঘদিনের বকেয়া পাওনা নিয়ে কর্মীদের মধ্যে হতাশা ক্রমশ বাড়ছে, যা এবার নতুন করে প্রতিবাদের রূপ নিতে চলেছে।
বকেয়া মেটানোর সরকারি রূপরেখা
রাজ্যের অর্থ দফতর সম্প্রতি একটি নির্দেশিকা জারি করে জানিয়েছে যে, ২০১৬ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত মোট ৪৮ মাসের বকেয়া ডিএ মেটানো হবে। সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল যে এই বকেয়া অর্থ দুটি কিস্তিতে দেওয়া হবে। প্রথম কিস্তির টাকা চলতি বছরের মার্চ মাসে এবং দ্বিতীয় কিস্তির টাকা সেপ্টেম্বর মাসে দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়।
- টাকা পাওয়ার মাধ্যম: সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী, সব কর্মী সরাসরি ব্যাঙ্কে টাকা পাবেন না।
- গ্রুপ এ, বি এবং সি: এই তিন শ্রেণির কর্মীদের বকেয়া টাকা সরাসরি তাঁদের জিপিএফ অ্যাকাউন্টে জমা পড়বে।
- গ্রুপ ডি: একমাত্র এই শ্রেণির কর্মীরাই তাঁদের বকেয়া টাকা সরাসরি নিজেদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাবেন।
প্রতিশ্রুতির পরেও কেন বাড়ছে ক্ষোভ?
মার্চ মাস প্রায় শেষ হতে চললেও এখনও পর্যন্ত সরকারি কর্মীরা প্রথম কিস্তির কোনো টাকা পাননি বলে অভিযোগ উঠেছে। এই বিলম্বের কারণেই কর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, ঘোষণার পরেও সরকার টাকা দিতে টালবাহানা করছে।
ফের রাজপথে নামার প্রস্তুতি
টাকা না মেলার জেরে এবার বড়সড় আন্দোলনের পথে হাঁটতে চলেছেন রাজ্য সরকারি কর্মীরা। সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্টের মাধ্যমে কর্মীদের নতুন লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত হতে বলেছেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, হকের পাওনা আদায় করতে ফের রাস্তায় নামতে হবে।
যদিও এই আন্দোলন কবে এবং কোথায় হবে, তা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি। তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় কর্মীদের প্রতিক্রিয়া দেখে আন্দাজ করা যায় যে তাঁরা অত্যন্ত ক্ষুব্ধ। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগেই বড়সড় ধর্মঘট ডাকার দাবি তুলছেন অনেকেই। কর্মীদের একাংশের মতে, সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে এবং নিজেদের অধিকার ছিনিয়ে নিতে এখন বৃহত্তর আন্দোলনের কোনো বিকল্প নেই।