All in One Income Tax Calculator FY 2025-26

Download Now!
পশ্চিমবঙ্গ

Lakshmi Bhandar Update: লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে বড় ধামাকা ৫ই ফেব্রুয়ারি? টাকা ঢোকার তারিখ ও বাজেটে নতুন কী থাকছে, জানুন বিস্তারিত

Lakshmi Bhandar Update: ফেব্রুয়ারি মাস শুরু হতেই পশ্চিমবঙ্গের সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে মহিলারা এবং প্রবীণ নাগরিকরা রাজ্য সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের দিকে তাকিয়ে আছেন। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার থেকে শুরু করে বার্ধক্য ভাতা—প্রতিটি প্রকল্পের ক্ষেত্রেই চলতি মাসে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। কবে ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকবে এবং নতুন বাজেটে কী ঘোষণা হতে পারে, তা নিয়ে একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন নিচে দেওয়া হলো।

৫ই ফেব্রুয়ারি: নজরে রাজ্য বাজেট ও নতুন ঘোষণা

চলতি মাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিন হতে চলেছে ৫ই ফেব্রুয়ারি। এদিন রাজ্য বিধানসভায় বাজেট পেশ করা হবে। প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক মহলের ধারণা, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করে রাজ্য সরকার এদিনের বাজেটে বড়সড় চমক দিতে পারে।

  • টাকার অঙ্ক বৃদ্ধির জল্পনা: রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সরকার লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের মাসিক ভাতার পরিমাণ বাড়ানোর কথা বিবেচনা করতে পারে। বর্তমানে যে ১০০০ বা ১২০০ টাকা দেওয়া হয়, তা বাড়িয়ে ১৫০০ থেকে ২০০০ টাকা করা হতে পারে বলে জল্পনা রয়েছে। তবে এটি সম্পূর্ণই নির্ভর করছে বাজেট পেশের ওপর।
  • নতুন আবেদনকারীদের ভবিষ্যৎ: যারা দুয়ারে সরকার বা বিডিও অফিসে নতুন আবেদন করেছেন কিন্তু এখনও অনুমোদন পাননি, তাদের ভাগ্য নির্ধারণ হবে এই বাজেটের বরাদ্দের ওপর। বরাদ্দ বাড়লে মার্চ বা এপ্রিল মাস থেকে নতুনরা সুবিধা পেতে পারেন।

পুরনো উপভোক্তাদের পেমেন্ট স্ট্যাটাস ও তারিখ

যারা ইতিমধ্যেই প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন, তাদের জন্য সুখবর রয়েছে। ফেব্রুয়ারি মাসের পেমেন্ট প্রসেসিং ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে।

  • লক্ষ্মীর ভাণ্ডার: বেশিরভাগ উপভোক্তার অনলাইন স্ট্যাটাসে “Payment Under Process” দেখাচ্ছে। সাধারণত, মাসের ৭ তারিখের মধ্যে সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে এই টাকা জমা হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।
  • পেনশন স্কিম (বার্ধক্য ও বিধবা ভাতা): জয় বাংলা পোর্টালের তথ্য অনুযায়ী, বার্ধক্য, বিধবা এবং প্রতিবন্ধী ভাতার পেমেন্টও প্রক্রিয়াকরণ স্তরে রয়েছে। এই উপভোক্তারা সাধারণত ১০ তারিখের মধ্যে তাদের প্রাপ্য অর্থ পেয়ে যান।

পেনশন প্রকল্প ও লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের মূল পার্থক্য

অনেকেই লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের সঙ্গে বার্ধক্য বা বিধবা ভাতার তুলনা করেন, কিন্তু দুটির নিয়ম আলাদা। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার সম্পূর্ণ রাজ্য সরকারের নিজস্ব প্রকল্প, তাই এখানে ইচ্ছে করলেই সরকার নতুন উপভোক্তা যুক্ত করতে পারে।

অন্যদিকে, পেনশন প্রকল্পগুলিতে কেন্দ্র ও রাজ্য উভয়েরই আর্থিক অংশগ্রহণ থাকে। এখানে নির্দিষ্ট ‘কোটা’ বা শূন্যপদ থাকে। মৃত্যুজনিত কারণ বা অযোগ্য ঘোষিত হওয়ার ফলে যে শূন্যপদ তৈরি হয়, শুধুমাত্র সেখানেই নতুন নাম তোলা সম্ভব হয়। তাই পেনশন স্কিমে চাইলেই চটজলদি নতুন নাম নথিভুক্ত করা কঠিন।

আগামী কয়েকদিন রাজ্যবাসীর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে ৫ই ফেব্রুয়ারির বাজেট ঘোষণার পরেই পরিষ্কার হবে যে নতুনরা কবে টাকা পাবেন এবং পুরনোদের ভাতার পরিমাণ বাড়বে কি না।

WBPAY Team

আমাদের প্রতিবেদন গুলি WBPAY Team এর দ্বারা যাচাই করে লেখা হয়। আমরা একটি স্বাধীন প্ল্যাটফর্ম যা পাঠকদের জন্য স্পষ্ট এবং সঠিক খবর পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের লক্ষ্য এবং সাংবাদিকতার মান সম্পর্কে জানতে, অনুগ্রহ করে আমাদের About us এবং Editorial Policy পৃষ্ঠাগুলি পড়ুন।
Back to top button