All in One Income Tax Calculator FY 2025-26

Download Now!
পশ্চিমবঙ্গ

New Yuvashathi Scheme: ১লা এপ্রিল থেকে মিলবে যুবসাথী ও খেতমজুর ভাতার টাকা! আবেদন ক্যাম্প শুরু ১৫ মার্চ থেকে, জানুন বিস্তারিত

New Yuvashathi Scheme: পশ্চিমবঙ্গের সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে বেকার যুবক-যুবতী এবং কৃষকদের জন্য রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে সুখবর নিয়ে এলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাজেটে ঘোষিত বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্পগুলি যাতে দ্রুত বাস্তবায়িত হয় এবং সুবিধাভোগীদের হাতে সহায়তা পৌঁছায়, তার জন্য সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। রাজ্য সরকারের নতুন ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ১লা এপ্রিল থেকেই একাধিক প্রকল্পের সুবিধা মিলতে শুরু করবে।

এই নিবন্ধে আমরা আসন্ন ক্যাম্পের সময়সূচি এবং যুবসাথী ও খেতমজুর প্রকল্পের নতুন নিয়মাবলী নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব।

ক্যাম্পের মাধ্যমে সরাসরি আবেদন গ্রহণ

অনলাইন আবেদনের সার্ভার সমস্যা বা জটিলতা এড়াতে এবার সরাসরি অফলাইন ক্যাম্পের ওপর জোর দিচ্ছে রাজ্য সরকার। রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রের প্রতিটিতেই বিশেষ ক্যাম্প বসানো হবে।

  • কবে থেকে: আগামী ১৫ই মার্চ থেকে ২৬শে মার্চ পর্যন্ত এই ক্যাম্প চলবে (ছুটির দিন বাদে)।
  • সময়: প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।
  • স্থান: সংশ্লিষ্ট বিধানসভা কেন্দ্রের নির্ধারিত স্থানে।
  • প্রক্রিয়া: কৃষি, সেচ ও বিদ্যুৎ এবং যুব কল্যাণ দপ্তরের আধিকারিকরা সেখানে উপস্থিত থাকবেন। আবেদন জমা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই উপভোক্তাদের হাতে ‘রিসিট’ বা প্রাপ্তিস্বীকার পত্র তুলে দেওয়া হবে এবং তথ্য দ্রুত ডিজিটাইজ করা হবে।

যুবশ্রী প্রকল্পে বড় পরিবর্তন: মাসে ১৫০০ টাকা ভাতা

রাজ্যের বেকার যুবক-যুবতীদের কর্মসংস্থানের দিশা দেখাতে ‘যুবশ্রী’ প্রকল্পটিকে ঢেলে সাজানো হয়েছে। এটি কেবল একটি ভাতা নয়, বরং চাকরি পাওয়ার আগে পর্যন্ত একটি বড় সহায়তা।

  • ভাতার পরিমাণ ও সময়কাল: যোগ্য প্রার্থীরা প্রতি মাসে ১,৫০০ টাকা করে পাবেন। এই সুবিধা একটানা ৫ বছর পাওয়া যাবে। ৫ বছর পর পরিস্থিতি পুনরায় খতিয়ে দেখা হবে (Review)। চাকরি না পাওয়া পর্যন্ত এই সহায়তা চলবে।
  • যোগ্যতা: ২১ থেকে ৪০ বছর বয়সী মাধ্যমিক পাশ যুবক-যুবতীরা আবেদন করতে পারবেন।
  • বিশেষ সুবিধা: সবচেয়ে বড় স্বস্তির খবর হলো, ছাত্রছাত্রীরা যদি স্বামী বিবেকানন্দ মেরিট কাম মিনস, ঐক্যশ্রী বা মেধাশ্রীর মতো সরকারি স্কলারশিপ পান, তবুও তাঁরা যুবশ্রী প্রকল্পের জন্য আবেদন করতে পারবেন। এক্ষেত্রে কোনো বাধা থাকবে না।

কৃষকদের জন্য জোড়া উপহার: আর্থিক অনুদান ও বিদ্যুৎ বিল মকুব

রাজ্যের কৃষি ব্যবস্থাকে চাঙ্গা করতে এবং ক্ষুদ্র চাষিদের পাশে দাঁড়াতে দুটি যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

১. ভূমিহীন কৃষকদের (খেতমজদুর) অনুদান: এতদিন যাঁদের নিজস্ব জমি ছিল, তাঁরাই কেবল কৃষক বন্ধু প্রকল্পের টাকা পেতেন। এবার থেকে যাঁদের নিজস্ব জমি নেই কিন্তু অন্যের জমিতে শ্রম দেন, সেইসব খেতমজদুররাও বছরে ৪,০০০ টাকা (২,০০০ করে দুবার) অনুদান পাবেন।
২. সেচের জল ও বিদ্যুতে ছাড়: চাষের কাজে ব্যবহৃত পাম্প বা শ্যালো মেশিনের বিদ্যুতের বিলে বড়সড় ছাড় দেওয়া হয়েছে। কৃষকদের আর সেচের জলের জন্য পাওয়ার ডিপার্টমেন্টকে কোনো বিল দিতে হবে না। আগে যেখানে ২,০০০ টাকা পর্যন্ত বিল আসত, তা এখন সম্পূর্ণ ফ্রি করে দেওয়া হয়েছে।

অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ আপডেট

বাজেটের কারণে সামান্য বিলম্ব হলেও ফেব্রুয়ারি মাস থেকেই রাজ্যের মহিলারা লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের বর্ধিত অনুদান পেতে শুরু করেছেন। অন্যদিকে, ডিএ (DA) বা মহার্ঘ ভাতার বিষয়টি বর্তমানে বিচারাধীন থাকায় মুখ্যমন্ত্রী এই নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি। এছাড়া সামনেই রমজান, হোলি ও পয়লা বৈশাখের মতো উৎসব থাকায় মুখ্যমন্ত্রী সকলকে আগাম শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এবং রাজ্যে সম্প্রীতি বজায় রাখার বার্তা দিয়েছেন।

WBPAY Team

আমাদের প্রতিবেদন গুলি WBPAY Team এর দ্বারা যাচাই করে লেখা হয়। আমরা একটি স্বাধীন প্ল্যাটফর্ম যা পাঠকদের জন্য স্পষ্ট এবং সঠিক খবর পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের লক্ষ্য এবং সাংবাদিকতার মান সম্পর্কে জানতে, অনুগ্রহ করে আমাদের About us এবং Editorial Policy পৃষ্ঠাগুলি পড়ুন।
Back to top button