Pension Hike: ইপিএফও পেনশনের অঙ্ক বাড়ানো নিয়ে বর্তমানে জোর চর্চা চলছে। এমপ্লয়িজ পেনশন স্কিম বা EPS-95-এর আওতায় বর্তমানে যে ন্যূনতম ১০০০ টাকা পেনশন দেওয়া হয়, তা বর্তমান বাজারদরের তুলনায় খুবই সামান্য। জীবনযাত্রার আকাশছোঁয়া খরচের সামনে এই টাকা কার্যত অপ্রতুল, তাই এই বিষয়টি নিয়ে নতুন করে ভাবছে সংশ্লিষ্ট মহল।
সূচিপত্র
পেনশনের দাবি ও বর্তমান পরিস্থিতি
দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন ও পেনশনভোগীদের সংস্থা ১০০০ টাকার পেনশন বাড়িয়ে ৭৫০০ টাকা করার দাবি জানিয়ে আসছে। তাঁদের বক্তব্য, আজকের দিনে দাঁড়িয়ে এই সামান্য টাকায় একজন প্রবীণ নাগরিকের নিত্যদিনের খরচ চালানো একেবারেই অসম্ভব। এই দাবির যৌক্তিকতা বিচার করে কেন্দ্রের শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রক বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে।
সরকারি কোষাগারের ওপর প্রভাব
তবে এই পেনশন বৃদ্ধির পথে প্রধান বাধা হলো বিশাল অঙ্কের খরচ। বর্তমানে ১০০০ টাকার পেনশন দিতেই সরকারকে প্রতিবছর প্রায় ৯৫০ কোটি টাকা অতিরিক্ত গুনতে হয়। যদি ন্যূনতম পেনশনের পরিমাণ ৭৫০০ টাকা করা হয়, তবে সরকারি কোষাগারের ওপর বড় ধরনের আর্থিক চাপ তৈরি হবে। এই জটিল দিকটি মাথায় রেখেই সরকার সবদিক খুঁটিয়ে দেখছে।
ইপিএফও-র অন্যান্য সুবিধা
শুধুমাত্র পেনশনের অঙ্ক নয়, গ্রাহকদের অভিজ্ঞতা আরও সহজ করতে প্রযুক্তিগত দিকেও নজর দিচ্ছে ইপিএফও। এর মধ্যে অন্যতম হলো ইপিএফ অ্যাকাউন্ট থেকে সরাসরি ATM সুবিধা চালুর তোড়জোড়। ভবিষ্যতে এর ফলে টাকা তোলার ঝক্কি কমবে অনেক। এছাড়া, নতুন E-PRAAPTI পোর্টাল চালু করা হয়েছে, যার সাহায্যে নিষ্ক্রিয় অ্যাকাউন্ট সচল করা এবং আধার কার্ড লিঙ্ক করার প্রক্রিয়া অনেক সহজ হয়েছে।
সংসদীয় কমিটিও ন্যূনতম পেনশন বাড়ানোর পক্ষে মত দিয়েছে। এদিকে, ২০২৬ অর্থবর্ষের জন্য ৮.২৫ শতাংশ সুদের হার ঘোষণার বিষয়টি এখনও চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রকের সবুজ সংকেত মিললেই সেই টাকা সরাসরি গ্রাহকদের অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।