6th Pay Commission: রাজ্য সরকারি কর্মীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার ষষ্ঠ বেতন কমিশনের রিপোর্ট নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের অর্ডারের কপি অবশেষে প্রকাশিত হয়েছে। বিচারপতি অমৃতা সিনহার দেওয়া এই নির্দেশের ফলে রাজ্য সরকারি কর্মীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা (DA) সংক্রান্ত মামলার ভবিষ্যৎ অনেকটাই নির্ভর করছে। অনেকেই জানতে আগ্রহী যে, ঠিক কী বলা হয়েছে এই অর্ডারে? আসুন, অর্ডারের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ বিস্তারিতভাবে জেনে নেওয়া যাক।
সূচিপত্র
অর্ডারের ভেতরে কী আছে?
শ্রী দেবপ্রসাদ হালদারের দায়ের করা WPA No. 26668 of 2024 মামলার ভিত্তিতে কলকাতা হাইকোর্ট এই নির্দেশ দিয়েছে। অর্ডারে পরিষ্কারভাবে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে:
- রিপোর্ট প্রকাশের নির্দেশ: আদালত রাজ্য সরকারকে ষষ্ঠ বেতন কমিশনের সুপারিশ অবিলম্বে তাদের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশ করার জন্য সরাসরি নির্দেশ দিয়েছে।
- মামলার বিষয়বস্তু: আবেদনকারী, শ্রী দেবপ্রসাদ হালদার, ষষ্ঠ বেতন কমিশনের সুপারিশ সম্পর্কে তথ্য চেয়েছিলেন।
- সরকারের বক্তব্য: শুনানির সময় সরকারের পক্ষের আইনজীবী জানান যে, এই তথ্য এখনও পাবলিক ডোমেইনে নেই।
- পরবর্তী শুনানি: আদালত এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছে ১লা জুলাই, ২০২৫।
- নির্দেশ কার্যকর: সমস্ত পক্ষকে আদালতের ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করা সার্ভার কপির উপর ভিত্তি করে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ষষ্ঠ বেতন কমিশন রিপোর্ট ও মহার্ঘ ভাতা (DA)
যেহেতু রাজ্যের অর্থ দপ্তরের প্রকাশিত ROPA ২০১৯ এর অর্ডারে ডিএ-র উল্লেখ নেই তাই বর্তমান সরকার যে কেন্দ্রীয় হারে ডিএ দিচ্ছেনা তার জন্য মামলা করলে তা আদালতে বল নাও পেতে পারে। তাই এই রেকমেন্ডেশন রিপোর্টে যদি ডিএ দেওয়ার কথা উল্লেখ করা থাকে তাহলে তাকে ভরসা করে বর্তমান সরকারি কর্মচারীদের ডিএ ব্যবধান মেটানোর জন্য মামলা হলে সেটা অনেক বেশি জোর পাবে।
এই রায়ের তাৎপর্য
হাইকোর্টের এই নির্দেশ রাজ্য সরকারি কর্মীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই রিপোর্ট প্রকাশিত হলে কর্মীরা জানতে পারবেন বেতন কমিশন ঠিক কী কী সুপারিশ করেছিল। বিশেষ করে, মহার্ঘ ভাতার বিষয়ে কমিশনের সুপারিশ জানা গেলে, কেন্দ্রীয় হারে ডিএ পাওয়ার দাবি আরও জোরালো হবে। কর্মীরা এখন ১লা জুলাই, ২০২৫ তারিখের দিকে তাকিয়ে আছেন, যেদিন এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে এবং আশা করা যায় রাজ্য সরকার রিপোর্ট প্রকাশের বিষয়ে তাদের পদক্ষেপ জানাবে।