TET Review Petition: টেট রিভিউ পিটিশন: সুপ্রিম কোর্টে টেট সংক্রান্ত রিভিউ পিটিশনের পরবর্তী সম্ভাব্য শুনানির দিন ধার্য হয়েছে ২৮শে এপ্রিল ২০২৬। এর আগে ২৪শে এপ্রিল একটি সম্ভাব্য দিন থাকলেও, কোন বেঞ্চে শুনানি হবে তা নিয়ে ধোঁয়াশা ছিল। তবে এবার মামলার বেঞ্চ এবং বর্তমান স্ট্যাটাস নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হাতে এসেছে।
সূচিপত্র
বিচারপতির বেঞ্চ ও মামলার হালচাল
আগামী ২৮শে এপ্রিল অনারেবল জাস্টিস দীপঙ্কর দত্ত এবং অনারেবল জাস্টিস মনমোহনের বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে টেট সংক্রান্ত যে মূল রায়টি এসেছিল, তার সঙ্গে জাস্টিস দীপঙ্কর দত্ত যুক্ত ছিলেন। বর্তমানে মামলাটি “ফ্রেশ ফর এডমিশন” (Fresh for Admission) পর্যায়ে রয়েছে। শুনানির দিনই ঠিক হবে এই মামলাটি “ওপেন হেয়ারিং” (Open Hearing) বা উন্মুক্ত আদালতে বিচার করা হবে কিনা।
সুপ্রিম কোর্টের ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫-এর মূল রায়ে বলা হয়েছিল, যে সমস্ত কর্মরত শিক্ষকদের অবসরের জন্য ৫ বছরের বেশি সময় বাকি আছে, তাদের ২ বছরের মধ্যে টেট পাস করতে হবে। অন্যথায়, তাদের বাধ্যতামূলক অবসরের মুখে পড়তে হতে পারে।
ওপেন হেয়ারিং কেন জরুরি
সাধারণত রিভিউ পিটিশনের শুনানি বিচারপতির নিজস্ব চেম্বারে হয়। বিচারপতিরা যদি মনে করেন মামলাটি গুরুত্ব পাওয়ার মতো, তবেই সেটিকে ওপেন হেয়ারিংয়ের জন্য পাঠানো হয়। এই মামলাটি অনেক বেশি তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ এর সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও মেঘালয়, উত্তরাখণ্ড ও উত্তরপ্রদেশের মতো রাজ্য এবং বিভিন্ন শিক্ষক সংগঠন যুক্ত রয়েছে। অভিজ্ঞ মহলের মতে, এতগুলো রাজ্য যুক্ত থাকায় এই আবেদন সরাসরি চেম্বারে খারিজ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশ কম।
শিক্ষকদের ওপর প্রভাব
পশ্চিমবঙ্গসহ সারা দেশের লক্ষ লক্ষ প্রাথমিক ও উচ্চ প্রাথমিক শিক্ষকের ভবিষ্যতের ওপর এই পিটিশনের রায় সরাসরি প্রভাব ফেলবে। টেট সংক্রান্ত নিয়ম ও চাকরির শর্তাবলি পরিবর্তনের প্রেক্ষিতে এই শুনানি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষকদের দাবি, তাদের বহু বছরের কাজের অভিজ্ঞতাকে যেন আইনি নজরে দেখা হয় এবং আদালতে নিজেদের কথা বলার সুযোগ দেওয়া হয়।
এখন সারাদেশের শিক্ষক-শিক্ষিকারা ২৮শে এপ্রিলের শুনানির দিকে তাকিয়ে আছেন। সবারই একটাই প্রত্যাশা, মামলাটি যেন ওপেন হেয়ারিং হিসেবে গৃহীত হয়।