WBBPE: প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের নতুন বিজ্ঞপ্তি! আরো অনেক প্রার্থী চাকরি পেতে চলেছেন

WBBPE: পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত একটি নতুন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে, যা কলকাতা হাইকোর্টের বিভিন্ন রিট পিটিশনের আদেশের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। এই বিজ্ঞপ্তিটি সেই সমস্ত প্রার্থীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ যারা পূর্ববর্তী বিজ্ঞপ্তিগুলিতে অন্তর্ভুক্ত ছিলেন না। এই নতুন বিজ্ঞপ্তির মূল উদ্দেশ্য হল সহকারী শিক্ষক পদের জন্য প্রার্থীদের যোগ্যতার যাচাইকরণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা।
এই যাচাইকরণ প্রক্রিয়াটি সোমবার, ৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৫, তারিখে কলকাতার সল্ট লেকের সেক্টর ২-এর আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র ভবনে অনুষ্ঠিত হবে। প্রার্থীদের সকাল ১১:৩০-এর মধ্যে নির্দিষ্ট স্থানে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।
যাচাইকরণের জন্য প্রয়োজনীয় নথি
যাচাইকরণ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের জন্য প্রার্থীদের নিম্নলিখিত নথিগুলির আসল এবং এক সেট ফটোকপি সঙ্গে আনতে হবে:
- মাধ্যমিক পরীক্ষার মার্কশিট এবং সার্টিফিকেট।
- জন্মতারিখের প্রমাণপত্র (যেমন, মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড বা জন্ম সার্টিফিকেট)।
- ১০ই আগস্ট, ২০১৭ বা তার আগে জারি করা TET পাস সার্টিফিকেট।
- ১০ই আগস্ট, ২০১৭ তারিখে চাকরিরত থাকার প্রমাণপত্র, যার মধ্যে রয়েছে নিয়োগপত্র, জয়েনিং রিপোর্ট, স্কুল কর্তৃপক্ষের সার্টিফিকেট, স্কুল শিক্ষা দপ্তরের NOC এবং জুলাই ২০১৭ পর্যন্ত শেষ ছয় মাসের বেতনের স্টেটমেন্ট।
- ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ওপেন স্কুলিং (NIOS) থেকে ১৮ মাসের D.El.Ed কোর্স পাসের সার্টিফিকেট বা মার্কশিট, যা ১লা এপ্রিল, ২০১৯-এর মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।
- প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ ২০২২-এর রেজিস্ট্রেশন স্লিপের একটি কপি।
- আবেদনকারী যদি পিটিশনার হন, তবে তার প্রমাণপত্র।
- বাসস্থানের প্রমাণপত্র।
- আসল ভোটার আইডি বা আধার কার্ড।
- জাতিগত শংসাপত্র (যদি প্রযোজ্য হয়)।
- শেষ ছয় মাসের ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্ট বা ব্যাঙ্ক ম্যানেজারের দ্বারা প্রত্যয়িত একটি কপি।
- স্কুল থেকে CPF/EPF স্টেটমেন্ট।
- ITR (আয়কর রিটার্ন) প্রমাণপত্র (যদি প্রযোজ্য হয়)।
প্রার্থীদের তালিকা এবং চ্যালেঞ্জ
বিজ্ঞপ্তিতে ২২ জন প্রার্থীর একটি তালিকা প্রদান করা হয়েছে, যাদেরকে ৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৫ তারিখে যাচাইকরণ প্রক্রিয়ায় উপস্থিত থাকতে হবে।
সমস্ত প্রয়োজনীয় নথি সংগ্রহ করা অনেক প্রার্থীর জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে, বিশেষ করে যারা বেসরকারি স্কুলে কাজ করেছেন। কারণ, অনেক বেসরকারি স্কুল এই ধরনের বিস্তারিত রেকর্ড রাখে না। এটি অনেক প্রার্থীর জন্য তাদের চাকরি নিশ্চিত করার পথে একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। তাই, প্রার্থীদের যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সমস্ত প্রয়োজনীয় নথি সংগ্রহ করার জন্য পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।