Work From Home: সরকারি দাপ্তরিক কাজকর্ম পরিচালনার জন্য নতুন একগুচ্ছ নির্দেশিকা কার্যকর করেছে স্কুল শিক্ষা দপ্তর। ১৮ই মে রাজ্যের মুখ্যসচিবের জারি করা নির্দেশের ভিত্তিতেই মূলত এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের পাশাপাশি দাপ্তরিক কাজে স্বচ্ছতা এবং গতি আনা।
সূচিপত্র
দাপ্তরিক কাজের নতুন নিয়মাবলী
সশরীরে অফিসে হাজিরা দেওয়ার পাশাপাশি এখন প্রযুক্তির ব্যবহারের ওপর সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এখন থেকে সশরীরে উপস্থিত হয়ে মিটিং করার বদলে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে সমস্ত বৈঠক সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে ফাইল প্রসেসিংয়ের ক্ষেত্রে ই-অফিস ব্যবস্থাকে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, যাতে কাগজের অপচয় এবং অপ্রয়োজনীয় প্রিন্টিংয়ের খরচ অনেকটাই কমিয়ে আনা যায়। এছাড়া দাপ্তরিক প্রয়োজনে সব ধরনের অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ বা নন-এসেনশিয়াল ট্রাভেল এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছে দপ্তর।
বিদ্যুৎ সাশ্রয় ও কার্যপদ্ধতি
বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের বিষয়ে দপ্তর বেশ কঠোর। নিয়ম অনুযায়ী, সন্ধ্যা ৭টার পর অফিসের কোনো আলো বা পাখা চালু রাখা যাবে না। সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের এই বিষয়টি নিশ্চিত করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, নির্দিষ্ট রোস্টার মেনে সিনিয়র আধিকারিকদের জন্য ওয়ার্ক ফ্রম হোম করার সুযোগ রাখা হয়েছে, যা কর্মক্ষেত্রে আধুনিকীকরণের একটি অংশ।
স্কুল ও শিক্ষক-শিক্ষিকাদের জন্য প্রভাব
বিজ্ঞপ্তিটি মূলত স্কুল শিক্ষা দপ্তরের নিজস্ব প্রশাসনিক স্তরের জন্যই কার্যকর করা হয়েছে। যদিও সরাসরি স্কুলগুলোর জন্য এখনও কোনো আলাদা গাইডলাইন প্রকাশ করা হয়নি, তবুও বিদ্যুৎ সাশ্রয় বা ভার্চুয়াল মিটিংয়ের মতো বিষয়গুলো যে কোনো সরকারি প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের জন্য পরবর্তীতে শিক্ষা পর্ষদ থেকে কোনো পৃথক নির্দেশিকা আসবে কি না, তা নিয়ে আগ্রহ রয়েছে সবার। আপাতত দপ্তরের এই নতুন নিয়মাবলী সরকারি কাজের গতি ও দক্ষতা বাড়াতে সাহায্য করবে।









