পশ্চিমবঙ্গ

Yuvasathi Krishak Bandhu: কৃষক বন্ধু পেলেও পাবেন যুবসাথী প্রকল্পের টাকা! মিলল বড় ইঙ্গিত

Yuvasathi Krishak Bandhu Nabanna
Yuvasathi Krishak Bandhu Nabanna

Yuvasathi Krishak Bandhu: সম্প্রতি একটি বড় সুখবর সামনে এসেছে। যে সমস্ত কৃষকরা ‘কৃষক বন্ধু’ প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন, তারা এবার ‘যুবসাথী’ প্রকল্পের জন্যও আবেদন করতে পারবেন বলে জানা যাচ্ছে। পূর্বে এই বিষয়ে অনেক ধোঁয়াশা থাকলেও বর্তমানে নতুন আপডেটের মাধ্যমে বিষয়টি অনেকটাই পরিষ্কার হয়েছে। তবে এই বিষয়ে এখনো কোনো অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়নি।

Table of Contents

নবান্নের বৈঠক ও ক্ষোভ প্রশমনের উদ্যোগ

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, কৃষক বন্ধু প্রকল্পে একজন ক্ষুদ্র চাষি বছরে মাত্র ৪,০০০ টাকা সহায়তা পান। অন্যদিকে, যুবসাথী প্রকল্পে বাৎসরিক সহায়তার পরিমাণ ১৮,০০০ টাকা। টাকার অঙ্কের এই ১৪,০০০ টাকার বিশাল ব্যবধান নিয়ে কৃষকদের একাংশের মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়া ও সংবাদমাধ্যমে ক্ষোভ দেখা দিয়েছিল। বিষয়টি নজরে আসতেই তড়িঘড়ি একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ডাকা হয়। সূত্রের খবর, এই বৈঠকে উপভোক্তা যাচাই প্রক্রিয়া এবং সাধারণের ক্ষোভ কীভাবে মেটানো যায়, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। শীর্ষ মহলের হস্তক্ষেপে নিয়মে কিছুটা নমনীয়তা আনার ইঙ্গিত মিলেছে।

Advertisement

কৃষক বন্ধুরা কি আবেদন করতে পারবেন?

রাজ্য সরকারের যুবসাথী প্রকল্পের মূল নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, আবেদনকারী যদি অন্য কোনো সরকারি পেনশন স্কিমের সুবিধাভোগী হন, তবে তিনি এই প্রকল্পের জন্য অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। এখানেই তৈরি হয়েছিল জটিলতা। তবে আধিকারিকদের মতে, ‘কৃষক বন্ধু’ আদতে কোনো পেনশন স্কিম নয়, এটি কৃষি কাজের জন্য দেওয়া এককালীন সহায়তা মাত্র।

সূত্রের মাধ্যমে জানা যাচ্ছে, ইতিমধ্যেই বিভিন্ন জেলার জেলা শাসকদের (DM) কাছে মৌখিকভাবে বার্তা পাঠানো হয়েছে যে, কৃষক বন্ধু প্রকল্পের সুবিধা পেলেও যোগ্য প্রার্থীরা যুবসাথী প্রকল্পের ফর্ম জমা দিতে পারবেন। যেহেতু এটি পেনশন নয়, তাই টেকনিক্যালি আবেদন করতে কোনো বাধা থাকার কথা নয়।

আবেদনের যোগ্যতা ও বর্তমান পরিস্থিতি

যুবসাথী প্রকল্পের সুবিধা পেতে গেলে আবেদনকারীকে মূলত শিক্ষিত বেকার যুবক বা যুবতী হতে হবে। নূন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতা মাধ্যমিক পাশ এবং বয়স ২১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে হতে হবে। বর্তমানে বিভিন্ন জায়গায় ক্যাম্পের মাধ্যমে ফর্ম জমা নেওয়া হচ্ছে। যদিও এই বিষয়ে এখনও কোনো লিখিত ‘অফিশিয়াল নোটিফিকেশন’ বা বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়নি, তবে প্রক্রিয়া চলছে। ডেটা এন্ট্রি ও ভেরিফিকেশন শুরু হওয়ার আগেই ফর্ম জমা দিয়ে রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

আবেদনকারীদের জন্য কী পরামর্শ?

বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকারি নির্দেশিকার অপেক্ষায় বসে না থেকে, যাঁদের যোগ্যতা রয়েছে তাঁদের অবিলম্বে আবেদন করা উচিত। কারণ:

  • আবেদনপত্র জমা দিলে কোনো ক্ষতি নেই।
  • যদি ভবিষ্যতে নিয়মের কড়াকড়িতে আবেদন বাতিলও হয়, তবে সেটি স্ক্রুটিনি বা ভেরিফিকেশন স্তরে হবে।
  • সুযোগ হাতছাড়া করার চেয়ে ফর্ম পূরণ করে রাখা বুদ্ধিমানের কাজ।

সুতরাং, আপনি যদি কৃষক বন্ধু প্রকল্পের টাকা পান এবং যুবসাথী প্রকল্পের বয়সের ও শিক্ষার শর্ত পূরণ করেন, তবে নির্দ্বিধায় ফর্ম জমা দিতে পারেন।

দাবিত্যাগ: এই প্রতিবেদনটি শুধুমাত্র তথ্যমূলক উদ্দেশ্যে তৈরি। এটি কোনো প্রকার আর্থিক পরামর্শ নয়। আবেদনের পূর্বে সরকারি অফিসিয়াল নির্দেশিকা যাচাই করে নেওয়া বাঞ্ছনীয়।

Munmun Bera

Munmun Bera

Munmun Bera is a leading financial educator and the founding editor of wbpay.in, specializing in the complex landscape of government payroll systems, including West Bengal State Service Rules (ROPA), Central Government pay commission updates, and national employee financial frameworks like EPF, GPF and Income Tax. With a strong academic background in Finance and over 7 years of deep involvement in… more>>