[New] 2016 থেকে 2019 পর্যন্ত বকেয়া ডিএ ক্যালকুলেটর

Calculate Now!
advertisement
পশ্চিমবঙ্গ

West Bengal Government: লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, কন্যাশ্রীর চাপ? রাজ্যের কোষাগার বাঁচাতে খরচে লাগাম

West Bengal Government: রাজ্য সরকারের তরফে বিভিন্ন দফতরের খরচের ঊর্ধ্বসীমা কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সাম্প্রতিক একটি নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে যে, এখন থেকে বিভিন্ন দফতর তাদের প্রকল্পের জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণের বেশি খরচ করতে পারবে না। এই সিদ্ধান্তের পিছনে রয়েছে রাজ্যের আর্থিক অবস্থার উপর চাপ এবং বিভিন্ন প্রকল্পের খরচে স্বচ্ছতা আনার প্রচেষ্টা। নবান্নের এক শীর্ষ আধিকারিকের মতে, কিছু দফতর কোষাগারের অবস্থা বিবেচনা না করেই অতিরিক্ত খরচ করছিল, যার ফলে এই পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি হয়ে পড়েছিল।

advertisement

খরচের নতুন ঊর্ধ্বসীমা

নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, বিভিন্ন দফতরের জন্য খরচের ঊর্ধ্বসীমা নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। আসুন দেখে নেওয়া যাক কোন দফতরের জন্য কত টাকা ধার্য করা হয়েছে:

  • পুর্ত, সেচ, পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ, এবং নগরোন্নয়ন দফতরের মতো বড় দফতরের জন্য খরচের ঊর্ধ্বসীমা ৫ কোটি টাকা থেকে কমিয়ে ৩ কোটি টাকা করা হয়েছে।
  • উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন, সুন্দরবন উন্নয়ন, এবং পশ্চিমাঞ্চল উন্নয়ন দফতরের জন্য এই সীমা ৩ কোটি টাকা থেকে কমিয়ে ১ কোটি টাকা করা হয়েছে।
  • আবাসন, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প, এবং তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের মতো দফতরের জন্য নতুন ঊর্ধ্বসীমা ৭৫ লক্ষ টাকা।
  • অন্যান্য সমস্ত দফতরের জন্য খরচের সর্বোচ্চ সীমা ৫০ লক্ষ টাকা ধার্য করা হয়েছে।

কেন এই সিদ্ধান্ত?

রাজ্য সরকার বর্তমানে একাধিক কেন্দ্রীয় প্রকল্পের ভার নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছে। ১০০ দিনের কাজ, আবাসন এবং গ্রাম সড়ক যোজনার মতো প্রকল্পে কেন্দ্রের তরফে টাকা আসা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় রাজ্যকেই সেই খরচ বহন করতে হচ্ছে। এর পাশাপাশি, ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ এবং ‘কন্যাশ্রী’-র মতো একাধিক সামাজিক প্রকল্পও রাজ্য সরকার চালাচ্ছে, যার ফলে কোষাগারের উপর বিপুল চাপ সৃষ্টি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে, খরচে লাগাম টানা এবং আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য রাজ্য সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

প্রকল্পের ছাড়পত্র

অর্থসচিব প্রভাতকুমার মিশ্রের সই করা এই নির্দেশিকায় আরও বলা হয়েছে যে, এখন থেকে প্রতিটি প্রকল্পের ছাড়পত্রের জন্য সংশ্লিষ্ট দফতরের উপদেষ্টার অনুমোদন বাধ্যতামূলক। এর ফলে প্রকল্পের খরচ এবং কার্যকারিতা আরও সূক্ষ্মভাবে পর্যালোচনা করা সম্ভব হবে। এই নতুন নিয়ম চালু হওয়ায় রাজ্যের আর্থিক পরিচালনায় আরও স্বচ্ছতা আসবে বলে মনে করা হচ্ছে।

advertisement

Munmun

মুনমুন WBPAY.in-এর সম্পাদক ও প্রকাশক। ২০১৮ সাল থেকে তিনি পশ্চিমবঙ্গ সরকারি কর্মচারীদের জন্য তথ্যভিত্তিক সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত। বেতন, মহার্ঘ ভাতা, জিপিএফ, পেনশন, আয়কর, সরকারি প্রকল্প এবং চাকরির নিয়মকানুন বিষয়ক সঠিক ও যাচাইযোগ্য তথ্য সহজ বাংলায় পৌঁছে দেওয়াই এই প্ল্যাটফর্মের মূল লক্ষ্য। WBPAY.in-এর সম্পাদকীয় দলে রয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের WBIFMS-সহ বিভিন্ন পোর্টালে… More »
Back to top button