8th Pay Commission: অষ্টম পে কমিশনের কাজ শুরু, কবে থেকে বাড়বে বেতন? জানুন নয়া আপডেট
8th Pay Commission: অষ্টম পে কমিশনের কাজ ইতিমধ্যে জোরকদমে শুরু হয়ে গেছে। দেশের এক কোটিরও বেশি কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী এবং অবসরপ্রাপ্ত পেনশনভোগীরা দীর্ঘদিন ধরে এই নতুন বেতন কাঠামোর দিকে তাকিয়ে রয়েছেন। সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এই কমিশনের বিষয়ে বিভিন্ন মতামত এবং প্রস্তাব গ্রহণ করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তবে এই পুরো বিষয়টি সম্পন্ন হতে ঠিক কতটা সময় লাগবে এবং কবে থেকে বর্ধিত বেতন হাতে পাওয়া যাবে, সেই নিয়ে কিছু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে এসেছে।
মতামত জানানোর নতুন নিয়ম ও সময়সীমা
সরকারি কর্মচারী, বিভিন্ন সংগঠন এবং সাধারণ মানুষ এবার অষ্টম পে কমিশনের কাছে নিজেদের দাবিদাওয়া সরাসরি জানাতে পারবেন। এর জন্য ২০২৬ সালের ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। তবে একটি বিষয় বিশেষভাবে মাথায় রাখতে হবে, কোনওরকম কাগজ, ইমেইল বা পিডিএফ ফাইলের মাধ্যমে পাঠানো আবেদন গ্রাহ্য করা হবে না। এই প্রক্রিয়ার জন্য একটি নির্দিষ্ট অনলাইন মাধ্যম তৈরি করা হয়েছে। সরকারি পোর্টাল ‘মাইগভ’ (MyGov.in) ব্যবহার করে সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতেই শুধুমাত্র এই প্রস্তাবগুলি জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
কবে থেকে চালু হতে পারে নতুন বেতন কাঠামো?
যদিও কর্মচারীরা দ্রুত এই নতুন নিয়ম লাগুর অপেক্ষায় রয়েছেন, তবে ২০২৬ থেকে ২০২৭ অর্থবর্ষে এটি সম্পূর্ণভাবে কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা বেশ কম। কমিশনকে তাদের চূড়ান্ত রিপোর্ট জমা দেওয়ার জন্য ১৮ মাস সময় দেওয়া হয়েছে, যার মেয়াদ ২০২৭ সালের মে মাসে শেষ হবে। তবে ওয়াকিবহাল মহলের মতে, সমস্ত পক্ষের সাথে আলোচনা দ্রুত শেষ করে নির্ধারিত সময়ের আগেই এই রিপোর্ট পেশ করার চেষ্টা করা হতে পারে।
মহার্ঘ ভাতা বা ডিএ গণনায় বদল এবং আর্থিক প্রভাব
সাধারণত নতুন পে কমিশন কার্যকর হলে পুরনো মহার্ঘ ভাতা বা ডিএ এবং ডিয়ারনেস রিলিফ শূন্য থেকে আবার নতুন করে গণনা শুরু হয়। গত অক্টোবর মাসের সংশোধনী অনুযায়ী বর্তমানে এই ভাতার হার ৫৮ শতাংশে পৌঁছেছে। অষ্টম পে কমিশন চালু হলে এই ভাতার হার পুনরায় ধাপে ধাপে বাড়ানো হবে। আগে সপ্তম পে কমিশনের সময় সরকারের কোষাগারে প্রায় ১.০২ লক্ষ কোটি টাকার অতিরিক্ত ধাক্কা লেগেছিল। এবার কর্মচারী এবং পেনশনভোগীদের সংখ্যা অনেকটাই বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই অনুমান করা হচ্ছে, অষ্টম পে কমিশনের ফলে সরকারের আর্থিক ব্যয় ২.৪ থেকে ৩.২ লক্ষ কোটি টাকা পর্যন্ত পৌঁছতে পারে।