EPFO Rules Update: কর্মচারী ভবিষ্য নিধি সংস্থা বা ইপিএফও এখন তাদের পরিষেবা ঢেলে সাজাচ্ছে। ‘ইপিএফও ৩.০’ (EPFO 3.0) প্রজেক্টের লক্ষ্যই হলো পুরো ব্যবস্থাটিকে আধুনিক ও সহজতর করে তোলা। এই পরিবর্তনের হাত ধরে ভবিষ্যতে পিএফ অ্যাকাউন্টধারীরা ডিজিটাল পেমেন্ট মাধ্যম ব্যবহার করেই নিজেদের জমানো টাকা তুলে নিতে পারবেন।
সূচিপত্র
ডিজিটাল পদ্ধতিতে পিএফ উত্তোলন
বর্তমানে ইপিএফও নিজেদের সিস্টেমকে ন্যাশনাল পেমেন্টস কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া বা এনপিসিআইয়ের সঙ্গে যুক্ত করছে। পুরো প্রক্রিয়াটি পুরোপুরি চালু হয়ে গেলে অ্যাকাউন্টধারীরা ইউপিআই (UPI) কিংবা এটিএম (ATM) ব্যবহার করে সরাসরি পিএফের টাকা হাতে পাবেন। ফোনপে, গুগল পে বা পেটিএম-এর মতো জনপ্রিয় অ্যাপগুলোতে এই সুবিধা যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এতে প্রথাগত পদ্ধতির জটিলতা আর ঝক্কি অনেকটাই কমে যাবে।
অটো সেটলমেন্টের সীমা বৃদ্ধি
পিএফ ক্লেম বা দাবির বিষয়টিকে আরও গতি দিতে কর্তৃপক্ষ অটো সেটলমেন্টের সীমা ১ লক্ষ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫ লক্ষ টাকা করেছে। ফলে এখন বেশিরভাগ দাবি মাত্র কয়েক ঘণ্টা কিংবা একদিনের মধ্যেই মিটিয়ে ফেলা সম্ভব। অনেক ক্ষেত্রে নিয়োগকর্তার অনুমোদনের জন্য আর বসে থাকতে হবে না। আধার ভিত্তিক ওটিপি (OTP) ভেরিফিকেশনের মাধ্যমেই এখন কাজ সম্পন্ন করা যাবে।
প্রভিডেন্ট ফান্ডের নতুন নিয়ম
নতুন নিয়ম বলছে, কেউ বেকার থাকলে এক মাস পর থেকেই নিজের জমানো অর্থের ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত তুলে নিতে পারবেন। আর যদি কেউ দুই মাস বেকার থাকেন বা অবসর নেন, তবে তারা চাইলে ১০০ শতাংশ টাকাই তুলে নিতে পারবেন। তবে এই সুবিধা পেতে গেলে ইউএএন (UAN) সচল থাকতে হবে, পাশাপাশি আধার ও প্যান লিঙ্ক থাকা বাধ্যতামূলক। একই সঙ্গে আপনার ব্যাঙ্কের তথ্য ও মোবাইল নম্বর যেন ঠিকঠাক আপডেট থাকে, সেদিকে খেয়াল রাখুন।