পশ্চিমবঙ্গ

Lakshmir Bhandar: লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা বাড়লেও চিন্তা! এই ছোট্ট ভুলে বন্ধ হতে পারে অনুদান, জেনে নিন জরুরি নিয়ম

Lakshmir Bhandar
Lakshmir Bhandar

Lakshmir Bhandar: রাজ্যের মহিলাদের স্বনির্ভরতার লক্ষ্যে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অন্যতম জনপ্রিয় প্রকল্প হলো ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’। সম্প্রতি রাজ্য বাজেটে এই প্রকল্পের ভাতা বৃদ্ধির ঘোষণা করা হয়েছে, যা নিঃসন্দেহে উপভোক্তাদের জন্য এক বিশাল খুশির খবর। কিন্তু এই বর্ধিত অর্থ বা বর্তমান অনুদান চালু রাখতে গেলে বেশ কিছু কঠোর নিয়ম মেনে চলা বাধ্যতামূলক। নথিপত্রে সামান্য অসঙ্গতি বা ব্যাঙ্কিং তথ্যে ভুলের কারণে আপনার প্রাপ্য টাকা আটকে যেতে পারে।

সূচিপত্র

ভাতার পরিমাণ বৃদ্ধি ও নতুন কাঠামো

রাজ্য সরকারের সাম্প্রতিক ঘোষণা অনুযায়ী, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের মাসিক ভাতার পরিমাণ ৫০০ টাকা করে বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে রাজ্যের মহিলারা এখন থেকে নিম্নলিখিত হারে সুবিধা পাবেন:

  • সাধারণ শ্রেণী (General Category): আগে প্রাপ্য ১০০০ টাকার পরিবর্তে এখন থেকে ১৫০০ টাকা পাবেন।
  • তপশিলি জাতি ও উপজাতি (SC/ST): আগে প্রাপ্য ১২০০ টাকার পরিবর্তে এখন থেকে ১৭০০ টাকা করে মাসিক অনুদান পাবেন।
    সাধারণত ২৫ থেকে ৬০ বছর বয়সী মহিলারা এই প্রকল্পের আওতায় সুবিধা পেয়ে থাকেন।
Advertisement

ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত কঠোর নির্দেশিকা

ভাতার অঙ্ক বাড়লেও টাকা পাওয়ার নিয়মাবলী এখন আরও কড়া হয়েছে। এই সুবিধা পাওয়ার জন্য আবেদনকারীর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত তথ্য নির্ভুল হওয়া আবশ্যক।

  • সিঙ্গেল অ্যাকাউন্ট বাধ্যতামূলক: আবেদনকারীর অবশ্যই নিজস্ব বা সিঙ্গেল ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে। কোনোভাবেই জয়েন্ট অ্যাকাউন্ট বা যৌথ খাতা ব্যবহার করা যাবে না। যদি কোনো উপভোক্তা জয়েন্ট অ্যাকাউন্ট জমা দিয়ে থাকেন, তবে তাঁর টাকা আসা বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
  • মোবাইল ও আধার লিঙ্ক: ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে আধার কার্ড এবং মোবাইল নম্বর লিঙ্ক থাকা বাধ্যতামূলক। এটি না থাকলে ডিবিটি (DBT) প্রক্রিয়ায় টাকা ঢুকবে না।

নথিপত্র ও অন্যান্য সতর্কতা

শুধুমাত্র ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ঠিক থাকলেই হবে না, আবেদনের সময় জমা দেওয়া নথিপত্রেও স্বচ্ছতা প্রয়োজন। আধার কার্ডের সঙ্গে প্যান (PAN) কার্ডের সংযোগ করিয়ে রাখা বুদ্ধিমানের কাজ। এছাড়া, আবেদনের সময় ডিজিটাল কাস্ট সার্টিফিকেট (SC/ST-দের জন্য), স্বাস্থ্যসাথী কার্ড এবং আধার কার্ডের তথ্য সঠিকভাবে জমা দিতে হবে। ২০২১ সাল থেকে চলে আসা এই প্রকল্পে তথ্যের গরমিল থাকলে নাম বাতিল হওয়ার সম্ভাবনাও থাকে। তাই সমস্যা এড়াতে দ্রুত নিজের নথিপত্র ও ব্যাঙ্কের স্থিতি যাচাই করে নিন।

Munmun Bera

Munmun Bera

Munmun Bera is the founder and editor of WBPAY.in. She has a background in finance and more than seven years of work in West Bengal state departmental accounting, including WBIFMS, pay fixation under ROPA 2019, DA, GPF and income tax for salaried employees. She decides what WBPAY.in covers and checks articles before they are published. Articles are drafted with the… more>>