[New] 2016 থেকে 2019 পর্যন্ত বকেয়া ডিএ ক্যালকুলেটর

Calculate Now!
advertisement
চাকরি

Primary Recruitment Case: প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে নতুন মোড়! সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরেও কেন হচ্ছে না নিয়োগ?

Primary Recruitment Case: ডি.এল.এড ২০২০-২০২২ চাকরিপ্রার্থীদের জন্য একটি অত্যন্ত সংকটজনক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের একটি সাম্প্রতিক পদক্ষেপে, তাদের চাকরির ভবিষ্যৎ এখন অনিশ্চয়তার মুখে। একটা সময় যেখানে তাদের নিয়োগ প্রায় নিশ্চিত বলে মনে হচ্ছিল, সেখানে এখন নতুন করে আইনি জটিলতা তৈরি হয়েছে। এই ব্লগ পোস্টে আমরা পুরো বিষয়টি বিস্তারিতভাবে আলোচনা করব এবং চাকরিপ্রার্থীদের জন্য আগামী দিনে কী অপেক্ষা করছে, তা বোঝার চেষ্টা করব।

advertisement

মামলার বর্তমান পরিস্থিতি

পশ্চিমবঙ্গের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে বিতর্ক নতুন কিছু নয়। সম্প্রতি, ডি.এল.এড ২০২০-২০২২ ব্যাচের চাকরিপ্রার্থীরা আশার আলো দেখেছিলেন যখন সুপ্রিম কোর্ট তাদের নিয়োগের পক্ষে রায় দেয়। কিন্তু প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের কিছু পদক্ষেপে সেই আশার আলো এখন ম্লান হতে চলেছে।

সুপ্রিম কোর্টের পূর্ববর্তী নির্দেশ

চলতি বছরের ৪ঠা এপ্রিল, সুপ্রিম কোর্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ রায় দেয়। সেই রায়ে, ২০২২ সালের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ডি.এল.এড ২০২০-২০২২ ব্যাচের প্রার্থীদের নিয়োগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। ১১,৭৬৫ টি শূন্যপদের মধ্যে প্রায় ২১০০ টি পদে তাদের নিয়োগ করার কথা ছিল। এই রায়টি চাকরিপ্রার্থীদের মধ্যে নতুন করে উদ্দীপনা তৈরি করে এবং তারা তাদের নিয়োগের জন্য অপেক্ষা করতে থাকেন।

প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের নিষ্ক্রিয়তা

সুপ্রিম কোর্টের সুস্পষ্ট নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও, প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ (WBBPE) সেই নির্দেশ কার্যকর করেনি। নির্দিষ্ট সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও, নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করার কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এই নিষ্ক্রিয়তার ফলে চাকরিপ্রার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা তৈরি হয়।

advertisement

নতুন আইনি লড়াই

পর্ষদের এই নিষ্ক্রিয়তার ফলে মামলাটি আবার সুপ্রিম কোর্টের দরজায় পৌঁছেছে। এবার দুটি নতুন আবেদন জমা পড়েছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

  • পর্ষদের নতুন আবেদন: প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ সুপ্রিম কোর্টে একটি নতুন বিবিধ আবেদন (Miscellaneous Application) দাখিল করেছে। এই আবেদনে তারা নিয়োগ সংক্রান্ত একাধিক বিষয়ে আদালতের কাছে स्पष्टीकरण চেয়েছে। পর্ষদের যুক্তি হলো, ডি.এল.এড ২০২০-২০২২ প্রার্থীদের পাশাপাশি এন.আই.ও.এস ডি.এল.এড এবং অন্যান্য “Unabsorbed” প্রার্থীদেরও নিয়োগের নির্দেশ রয়েছে। তাই, কাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে, সেই বিষয়ে তারা আদালতের নির্দেশ চায়।
  • পর্ষদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা: অন্যদিকে, পর্ষদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার একটি আবেদনও দায়ের করা হয়েছে। আবেদনকারীদের অভিযোগ, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ পালন না করে পর্ষদ আদালত অবমাননা করেছে। এই মামলায় পর্ষদের সভাপতি গৌতম পালকেও পক্ষভুক্ত করা হয়েছে।

চাকরিপ্রার্থীদের ভবিষ্যৎ কী?

বর্তমানে, ডি.এল.এড ২০২০-২০২২ চাকরিপ্রার্থীদের ভবিষ্যৎ সম্পূর্ণভাবে সুপ্রিম কোর্টের পরবর্তী শুনানির উপর নির্ভরশীল। পর্ষদের এই সময়ক্ষেপণের কৌশল এবং নতুন আইনি জটিলতা তাদের নিয়োগ প্রক্রিয়াকে আরও দীর্ঘায়িত করবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে, যেহেতু তাদের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের পূর্ববর্তী রায় রয়েছে, তাই তারা এখনও আশাবাদী। আগামী দিনে সুপ্রিম কোর্ট কী নির্দেশ দেয়, তার উপরেই তাদের ভাগ্য নির্ভর করছে।

Munmun

মুনমুন WBPAY.in-এর সম্পাদক ও প্রকাশক। ২০১৮ সাল থেকে তিনি পশ্চিমবঙ্গ সরকারি কর্মচারীদের জন্য তথ্যভিত্তিক সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত। বেতন, মহার্ঘ ভাতা, জিপিএফ, পেনশন, আয়কর, সরকারি প্রকল্প এবং চাকরির নিয়মকানুন বিষয়ক সঠিক ও যাচাইযোগ্য তথ্য সহজ বাংলায় পৌঁছে দেওয়াই এই প্ল্যাটফর্মের মূল লক্ষ্য। WBPAY.in-এর সম্পাদকীয় দলে রয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের WBIFMS-সহ বিভিন্ন পোর্টালে… More »
Back to top button