[New] 2016 থেকে 2019 পর্যন্ত বকেয়া ডিএ ক্যালকুলেটর

Calculate Now!
advertisement
সরকারি কর্মচারী

Service Book Upload: সার্ভিস বুক নিয়ে নবান্নের নতুন বিজ্ঞপ্তি! বকেয়া ডিএ মেটাতেই কি এই উদ্যোগ? জানুন আসল বিষয়

Service Book Upload: পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অধীনে কর্মরত সমস্ত কর্মচারীদের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খবর সামনে এসেছে। সম্প্রতি রাজ্য অর্থ দপ্তরের তরফ থেকে কর্মচারীদের কর্মজীবনের নথি ডিজিটালাইজেশন বা ই-সার্ভিস বুক প্রস্তুত করার বিষয়ে একটি কড়া নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এই কাজ সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট আধিকারিক ও কর্মীদের বিশেষ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

advertisement

নতুন বিজ্ঞপ্তিতে কী বলা হয়েছে?

অর্থ দপ্তরের প্রকাশিত নতুন আদেশনামা (যার নম্বর: 835-F(eGov) এবং তারিখ: ২৮/০২/২০২৬) অনুযায়ী, আগামী ২০ মার্চের মধ্যে সমস্ত সরকারি কর্মীর ই-সার্ভিস বুক তৈরির কাজ সম্পূর্ণ করতে হবে। এই প্রক্রিয়ায় মূলত দুটি ধাপ রয়েছে:

  • আধিকারিকদের ভূমিকা: প্রথমে সার্ভিস বুকের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক বা কাস্টোডিয়ানরা মূল নথির পাতাগুলি স্ক্যান করে অনলাইনে আপলোড করবেন।
  • কর্মচারীদের ভূমিকা: এরপর কর্মচারীদের নিজেদের দায়িত্ব নিতে হবে। তাঁরা সেই স্ক্যান করা নথিগুলি দেখে অনলাইনে নিজেদের সমস্ত তথ্য সতর্কতার সঙ্গে এন্ট্রি করবেন।

বকেয়া ডিএ পেমেন্টের সঙ্গে কি এর কোনো যোগসূত্র রয়েছে?

বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী ২৫% বকেয়া মহার্ঘ ভাতা বা ডিএ মামলার সঙ্গে এই নির্দেশিকার সম্পর্ক নিয়ে সরকারি কর্মচারী মহলে ব্যাপক জল্পনা শুরু হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, বকেয়া টাকা মেটানোর হিসাব-নিকাশ করার জন্যই সরকার তড়িঘড়ি স্যালারি ডিটেইলস বা অন্যান্য তথ্য সংগ্রহ করছে নবান্ন।

তবে, পুরনো তথ্যাদি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, সরাসরি বকেয়া ডিএ-এর সঙ্গে এই বিজ্ঞপ্তির কোনো আইনি বা কার্যকারণ সম্পর্ক নেই।

advertisement

প্রক্রিয়াটির পিছনের আসল কারণ

মূলত, রাজ্য সরকার সরকারি কাজের সুবিধার্থে এবং নথিপত্র সুরক্ষিত রাখতে বহু আগে থেকেই ই-সার্ভিস বুক ব্যবস্থা চালু করার উদ্যোগ নিয়েছিল।

  • পুরনো নির্দেশিকা: ২০১৯ সালের ২৫ মার্চ (অর্ডার নম্বর 1880-F(Y)) প্রথমবার এই সংক্রান্ত নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
  • বারংবার সময়সীমা বৃদ্ধি: বহু অফিস নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজটি করে উঠতে পারেনি। তাই বাধ্য হয়েই বারবার সময়সীমা বাড়াতে হয়েছে।

এখন সেই অসমাপ্ত কাজ দ্রুত শেষ করার জন্যই নতুন করে এই নির্দেশ জারি করা হয়েছে। যদিও অনেকেই মনে করছেন, পরোক্ষভাবে এই ডেটাবেস ভবিষ্যতে কর্মচারীদের ডিএ পাওনাগণ্ডা মেটানোর ক্ষেত্রে সরকারের কাজে লাগতে পারে।

পরবর্তী পদক্ষেপ

জল্পনা যাই থাকুক না কেন, এটি একটি বাধ্যতামূলক সরকারি নির্দেশ। তাই রাজ্যের সমস্ত সরকারি কর্মীদের উচিত নিজেদের স্বার্থে আগামী ২০ মার্চের মধ্যে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের নির্দেশ মেনে সার্ভিস বুক অনলাইনে আপলোড এবং তথ্য এন্ট্রির কাজটি সুচারুভাবে সম্পন্ন করা।

Munmun

মুনমুন WBPAY.in-এর সম্পাদক ও প্রকাশক। ২০১৮ সাল থেকে তিনি পশ্চিমবঙ্গ সরকারি কর্মচারীদের জন্য তথ্যভিত্তিক সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত। বেতন, মহার্ঘ ভাতা, জিপিএফ, পেনশন, আয়কর, সরকারি প্রকল্প এবং চাকরির নিয়মকানুন বিষয়ক সঠিক ও যাচাইযোগ্য তথ্য সহজ বাংলায় পৌঁছে দেওয়াই এই প্ল্যাটফর্মের মূল লক্ষ্য। WBPAY.in-এর সম্পাদকীয় দলে রয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের WBIFMS-সহ বিভিন্ন পোর্টালে… More »
Back to top button