[New] 2016 থেকে 2019 পর্যন্ত বকেয়া ডিএ ক্যালকুলেটর

Calculate Now!
advertisement
শিক্ষা

SVMCM Utilization Certificate: স্বামী বিবেকানন্দ স্কলারশিপ রিনিউয়ালে বড় বদল! টাকা পেতে এই নতুন সার্টিফিকেট বাধ্যতামূলক, জানুন বিস্তারিত

SVMCM Utilization Certificate: পশ্চিমবঙ্গের মেধাবী অথচ আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া ছাত্রছাত্রীদের উচ্চশিক্ষার পথ সুগম করতে রাজ্য সরকার সর্বদা তৎপর। এই লক্ষ্যেই চালু রয়েছে ‘স্বামী বিবেকানন্দ মেরিট কাম মিনস স্কলারশিপ’ (SVMCM), যা পড়ুয়াদের কাছে বিকাশ ভবন স্কলারশিপ নামেই অধিক পরিচিত। ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের জন্য এই স্কলারশিপের নতুন এবং রিনিউয়াল আবেদন প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে। তবে এবার রিনিউয়াল আবেদনকারীদের জন্য নিয়মে একটি বড় পরিবর্তন আনা হয়েছে। বিকাশ ভবনের নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, স্কলারশিপের টাকা পাওয়ার জন্য একটি বিশেষ সার্টিফিকেট জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

advertisement

রাজ্যের স্কুল, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজার হাজার পড়ুয়া প্রতি বছর এই স্কলারশিপের মাধ্যমে ১২,০০০ টাকা থেকে শুরু করে ৯৬,০০০ টাকা পর্যন্ত বৃত্তি পেয়ে থাকেন। এতদিন রিনিউয়াল বা পুনর্নবীকরণের ক্ষেত্রে মার্কশিট এবং অ্যাডমিশন রসিদ জমা দিলেই কাজ মিটে যেত। কিন্তু চলতি শিক্ষাবর্ষ থেকে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এবং সঠিক পড়ুয়াদের কাছে অনুদান পৌঁছে দিতে ‘ইউটিলাইজেশন সার্টিফিকেট’ (Utilization Certificate) আপলোড করা আবশ্যিক করা হয়েছে।

ইউটিলাইজেশন সার্টিফিকেট আসলে কী?

সহজ ভাষায় বলতে গেলে, ইউটিলাইজেশন সার্টিফিকেট হলো এমন একটি প্রমাণপত্র যা নিশ্চিত করে যে পড়ুয়া গত বছর স্কলারশিপের যে টাকা পেয়েছিল, তা সে পড়াশোনার কাজেই ব্যয় করেছে। পাশাপাশি, ওই ছাত্র বা ছাত্রীটি বর্তমানে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত ক্লাস করছে কি না এবং অন্য কোনো সরকারি স্কলারশিপের সুবিধা একই সঙ্গে নিচ্ছে কি না, তা যাচাই করার জন্যও এই সার্টিফিকেটের গুরুত্ব অপরিসীম। বিগত বছরগুলিতে এটি আবশ্যিক না থাকলেও, এবার জালিয়াতি রুখতে কঠোর পদক্ষেপ নিল উচ্চশিক্ষা দপ্তর।

কেন এই নতুন নিয়ম চালু হলো?

বিকাশ ভবন সূত্রে খবর, অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় পড়ুয়ারা একাধিক জায়গা থেকে কোর্স করছে বা স্কলারশিপের টাকা পাওয়ার পর পড়াশোনা ছেড়ে দিয়েছে। আবার কেউ কেউ একই সঙ্গে একাধিক সরকারি প্রকল্পের সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করে, যা নিয়মবহির্ভূত। এই ধরনের অনিয়ম আটকাতেই হেড অফ দ্য ইনস্টিটিউশন বা প্রতিষ্ঠান প্রধানের সই করা এই সার্টিফিকেটটি এবার থেকে বাধ্যতামূলক করা হলো। এটি জমা না দিলে রিনিউয়াল আবেদন গ্রাহ্য হবে না এবং ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকাও ঢুকবে না।

advertisement

সার্টিফিকেট ডাউনলোড ও আপলোড করার পদ্ধতি

পড়ুয়াদের সুবিধার্থে নিচে ধাপে ধাপে ইউটিলাইজেশন সার্টিফিকেট সংগ্রহ এবং জমা দেওয়ার প্রক্রিয়াটি আলোচনা করা হলো:

ধাপকরণীয় কাজ
ধাপ ১প্রথমে SVMCM পোর্টালে নিজের আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন।
ধাপ ২ডকুমেন্ট আপলোড সেকশনে যান। সেখানে সবার উপরে ‘Download Utilization Certificate’ অপশনটি দেখতে পাবেন।
ধাপ ৩পিডিএফ ফরম্যাটে সার্টিফিকেটটি ডাউনলোড করে প্রিন্ট আউট বের করে নিন।
ধাপ ৪ফর্মটি পূরণ করে নিজের স্কুল বা কলেজের প্রধান শিক্ষক বা অধ্যক্ষের কাছে নিয়ে যান।
ধাপ ৫প্রতিষ্ঠান প্রধানের সই এবং স্ট্যাম্প (Attestation) করিয়ে নিন।
ধাপ ৬সই করা ফর্মটি স্ক্যান করে পোর্টালে নির্দিষ্ট স্থানে আপলোড করুন এবং সাবমিট করুন।

ছাত্রছাত্রীদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে, শেষ মুহূর্তের ভিড় এড়াতে এবং সার্ভারের সমস্যা থেকে বাঁচতে যত দ্রুত সম্ভব এই প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করে ফেলুন। সঠিক সময়ে সঠিক নথিপত্র জমা না দিলে আপনার প্রাপ্য টাকা আটকে যেতে পারে।

Munmun Bera

মুনমুন WBPAY.in-এর সম্পাদক ও প্রকাশক। ২০১৮ সাল থেকে তিনি পশ্চিমবঙ্গ সরকারি কর্মচারীদের জন্য তথ্যভিত্তিক সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত। বেতন, মহার্ঘ ভাতা, জিপিএফ, পেনশন, আয়কর, সরকারি প্রকল্প এবং চাকরির নিয়মকানুন বিষয়ক সঠিক ও যাচাইযোগ্য তথ্য সহজ বাংলায় পৌঁছে দেওয়াই এই প্ল্যাটফর্মের মূল লক্ষ্য। WBPAY.in-এর সম্পাদকীয় দলে রয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের WBIFMS-সহ বিভিন্ন পোর্টালে… More »
Back to top button