রাজ্যের বিভিন্ন দপ্তরে মোট ৪৫,১৮৫টি শূন্যপদে নিয়োগের চূড়ান্ত অনুমোদন মিলেছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং অর্থদপ্তর থেকেও এর অনুমোদন মিলেছে। বিজ্ঞপ্তি খুব শীঘ্রই প্রকাশিত হবে। সূত্র অনুযায়ী, নিয়ম মেনে দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করার কথা বলা হয়েছে।
সূচিপত্র
কোন দপ্তরে কত পদ
মুখ্যমন্ত্রীর ভাষণে দপ্তরভিত্তিক যে সংখ্যা উঠে এসেছে, তা নিচের সারণিতে দেখে নিন।
| দপ্তর | পদের ধরন | শূন্যপদ |
|---|---|---|
| স্কুল শিক্ষা দপ্তর | প্রাথমিক থেকে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষক, প্রধান শিক্ষক | ৩৩,১৯৯ |
| কারিগরি শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন দপ্তর | অফিসার, ক্লার্ক | ১,৮৮৬ |
| পুলিশ দপ্তর | ডেপুটি কমিশনার, ইন্সপেক্টর, এসআই, এএসআই, লেডি কনস্টেবল | ৯৯৬ |
| পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তর | বিভিন্ন পদ | ৭১৯ |
| মোট | সকল দপ্তর মিলিয়ে | ৪৫,১৮৫ |
স্কুল শিক্ষা দপ্তরে কোন পদে কত সংখ্যক
৩৩,১৯৯টি পদের মধ্যে সবচেয়ে বড় অংশটা সাধারণ সহকারী শিক্ষক পদে, ১২,৩৪৩টি। প্রধান শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষিকা মিলিয়ে পদ ৪,৩৯৪টি, প্রাইমারি অ্যাসিস্ট্যান্ট টিচার ৪,৪৩২টি, পাস গ্রেড টিচার ১,০৩২টি, আপার প্রাইমারি ৬৫২টি এবং পিজি অ্যাসিস্ট্যান্ট টিচার মাত্র ২৩টি।
সংখ্যার হিসাব: কত শতাংশ পদ শিক্ষা দপ্তরে
মোট ৪৫,১৮৫টি পদের মধ্যে স্কুল শিক্ষা দপ্তরের ৩৩,১৯৯টি পদ ধরলে তা দাঁড়ায় প্রায় ৭৩.৫ শতাংশ। অর্থাৎ ঘোষিত নতুন সরকারি চাকরির প্রতি চারটির মধ্যে তিনটিই শিক্ষক বা প্রধান শিক্ষক পদে। এই হিসাব সরাসরি উৎস থেকে বলা হয়নি, সংখ্যা দুটি মিলিয়ে বের করা।
চাকরিপ্রার্থীদের জন্য এর অর্থ কী
যাঁরা প্রাথমিক, উচ্চ প্রাথমিক বা মাধ্যমিক স্তরে শিক্ষক পদের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তাঁদের জন্য এটা সবচেয়ে বড় ইঙ্গিত। পুলিশ কনস্টেবল, এসআই বা পঞ্চায়েত দপ্তরের পরীক্ষার্থীদের জন্যও শূন্যপদের সংখ্যা স্পষ্ট হল।
- অনুমোদন মিলেছে মানেই পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি সঙ্গে সঙ্গে বেরোবে, এমন নয়। নিয়োগ প্রক্রিয়া সংশ্লিষ্ট পর্ষদ বা কমিশনের মাধ্যমে পরে শুরু হবে।
- সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ওয়েবসাইট এবং পরীক্ষার পর্ষদের বিজ্ঞপ্তির উপর নজর রাখতে হবে, কারণ মেমো নম্বর বা পরীক্ষার তারিখ এখনও ঘোষণা হয়নি।
- স্কুল শিক্ষা দপ্তরের বিপুল সংখ্যক পদ থাকায় টেট উত্তীর্ণ প্রার্থীদের আশা বাড়ল, তবে প্রস্তুতি শুরু করা ও চূড়ান্ত বিজ্ঞপ্তি পর্যন্ত অপেক্ষা করাই বিচক্ষণতা।
সূত্র: Speech of CM Suvendu Adhikari










