Yubasathi Scheme: যুবসাথী প্রকল্পের টাকা পেতে কোন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট লাগবে? জানুন আসল নিয়ম
Yubasathi Scheme: রাজ্যের যুব সম্প্রদায়কে স্বনির্ভর করতে চালু হওয়া ‘যুবসাথী’ প্রকল্পের আর্থিক সহায়তা নিয়ে আবেদনকারীদের মধ্যে নতুন করে বেশ কিছু প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে অনুদানের টাকা ঠিক কোন ধরনের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকবে, তা নিয়ে অনেকেই চিন্তায় পড়েছেন। সাধারণ মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বড় বিভ্রান্তি হলো, এই অনুদান পাওয়ার জন্য ব্যাঙ্কে ডিরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার (DBT) চালু রাখা বাধ্যতামূলক কি না। এই সমস্ত দ্বিধা দূর করতে প্রকৃত নিয়মগুলি জেনে নেওয়া জরুরি।
সরকারের নির্দিষ্ট নির্দেশিকা
যুবসাথী প্রকল্পের নিয়মানুযায়ী, টাকা সরাসরি আবেদনকারীর সেই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পৌঁছাবে, যার বিবরণ তিনি ফর্ম পূরণের সময় জমা দিয়েছেন। তবে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত রয়েছে। ওই নির্দিষ্ট অ্যাকাউন্টের সঙ্গে আবেদনকারীর আধার কার্ড যুক্ত থাকতে হবে। অনেকেই ভাবছিলেন যে, গ্যাসের ভর্তুকি বা অন্যান্য সরকারি সহায়তার মতো এখানেও ডিবিটি বা আধার সিডিং আবশ্যক। কিন্তু সরকারি নির্দেশিকায় স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে যে, এর জন্য আলাদা করে ডিবিটি লিঙ্ক করার কোনো প্রয়োজন নেই। ট্রেজারির মাধ্যমে সরাসরি আধার সংযুক্ত (Aadhaar Linked) অ্যাকাউন্টেই এই অনুদান জমা পড়বে।
আধার লিঙ্ক এবং আধার সিডিং আসলে কী
সাধারণ উপভোক্তারা অনেক সময়েই ‘আধার লিঙ্ক’ এবং ‘আধার সিডিং’ বা ডিবিটি-কে গুলিয়ে ফেলেন। এই দুটির মধ্যে একটি বড়সড় প্রযুক্তিগত পার্থক্য রয়েছে। একজন নাগরিক তাঁর নিজের নামে থাকা একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের (যেমন স্টেট ব্যাঙ্ক, পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক ইত্যাদি) সঙ্গে আধার যুক্ত বা লিঙ্ক করতে পারেন। এটি মূলত কেওয়াইসি (KYC) প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে এবং বায়োমেট্রিক লেনদেনের জন্য ব্যবহৃত হয়।
অন্যদিকে, আধার সিডিং বা ডিবিটি সংযুক্তিকরণ শুধুমাত্র যেকোনো একটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের ক্ষেত্রেই করা যায়। পিএম কিষাণ বা এলপিজি ভর্তুকির মতো সরাসরি সরকারি সুবিধাগুলি এই ডিবিটি অ্যাকাউন্টে জমা হয়। তবে যুবসাথীর ক্ষেত্রে এই বিশেষ সিডিংয়ের কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।
উপভোক্তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ টিপস
যাঁরা ইতিমধ্যেই আবেদন করেছেন, তাঁদের শুধু খেয়াল রাখতে হবে ফর্মে দেওয়া অ্যাকাউন্টটি যেন কোনোভাবেই বন্ধ বা নিষ্ক্রিয় না হয়ে যায়। দীর্ঘ সময় ধরে লেনদেন না করলে বা কেওয়াইসি আপডেট না থাকলে ব্যাঙ্ক অনেক সময় অ্যাকাউন্ট সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয়। তাই টাকা ঢোকার আগে ব্যাঙ্কের শাখায় গিয়ে নিজের অ্যাকাউন্টটি সচল আছে কি না, তা যাচাই করে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ। যদি আপনার ফর্মে দেওয়া অ্যাকাউন্টে ডিবিটি চালু নাও থাকে, তাতেও যুবসাথীর টাকা পেতে বিন্দুমাত্র সমস্যা হবে না।