Seba Setu Abhijan: রাজ্য জুড়ে আগামী ২ অক্টোবর থেকে ৪ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত টানা তিন দিন চলবে এই বিশেষ পরিষেবা শিবির। প্রতিটি ব্লক উন্নয়ন আধিকারিকের কার্যালয় (BDO Office), পৌরসভা এবং পৌরনিগম এলাকায় বসবে শিবির, যেখানে কেন্দ্র ও রাজ্যের ১৩টিরও বেশি প্রকল্পের নতুন আবেদন, নাম নথিভুক্তকরণ ও আটকে থাকা সুবিধার সমাধান হবে এক জায়গায়।
সূচিপত্র
কেন এই শিবির, কার তত্ত্বাবধানে
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জন্মদিন উপলক্ষে ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া এক মাসব্যাপী জনকল্যাণমূলক কর্মসূচির অংশ হিসেবেই এই শিবির। ‘জনকল্যাণ শিবির’-এর ধাঁচে তৈরি এই কর্মসূচির নাম সেবা সেতু অভিযান, আর গোটা কাজের দায়িত্বে থাকছে পরিকল্পনা ও পরিসংখ্যান দপ্তর।
কী কী প্রকল্পের সুবিধা মিলবে
সূত্র অনুযায়ী চূড়ান্ত তালিকা শিবিরের আগে আলাদা নির্দেশিকায় প্রকাশ হবে, তবে প্রাথমিক তালিকায় যা রয়েছে তা এখানে সাজানো হল:
| প্রকল্পের ধরন | নাম | কী মিলবে |
|---|---|---|
| কেন্দ্রীয় | পিএম আবাস যোজনা, শৌচালয় | নতুন আবেদন |
| কেন্দ্রীয় | আয়ুষ্মান ভারত, পিএম সূর্যঘর যোজনা | নথিভুক্তকরণ |
| কেন্দ্রীয় | পিএম কিষাণ, KCC, ঋণ প্রকল্প | আবেদন ও সংশোধন |
| কেন্দ্রীয় | MGNREGA | তাৎক্ষণিক জব কার্ড |
| রাজ্য | বার্ধক্য, বিধবা, প্রতিবন্ধী ভাতা | নতুন আবেদন ও বকেয়া সমাধান |
| রাজ্য | কৃষকবন্ধু, অন্নপূর্ণা যোজনা | আটকে থাকা টাকার সমাধান |
প্রভাব: আপনার জন্য এর অর্থ কী
ধরুন, আপনার বাড়ির প্রবীণ সদস্যের বার্ধক্য ভাতা ছ’মাস ধরে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট লিঙ্কের গোলমালে আটকে আছে। এতদিন ব্লক অফিসে বার বার ঘুরতে হত, এবার ২, ৩ ও ৪ অক্টোবর যে কোনও একদিন সংশ্লিষ্ট বিডিও অফিসে গেলেই সরাসরি সমস্যার নিষ্পত্তি হতে পারে, কারণ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আধিকারিকরা শিবিরেই উপস্থিত থাকবেন। কৃষকবন্ধু বা অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা যাঁদের অ্যাকাউন্টে ঢুকছে না, তাঁদের জন্যও এটা একটা বড় সুযোগ, কারণ আলাদা করে দপ্তরে দরখাস্ত করার ঝক্কি এড়ানো যাবে।
সরকারি কর্মীদের জন্যও এই শিবিরের একটা বাস্তব দিক আছে। জনকল্যাণ শিবির ধাঁচের এই ধরনের কর্মসূচিতে অতীতে শিক্ষক, ক্লার্ক ও পঞ্চায়েত কর্মীদের ডিউটিতে ডাকা হয়েছে, ফলে আপনার স্কুল বা অফিসেও এই তিন দিনে ডিউটি অ্যালোকেশনের নির্দেশ আসতে পারে। বিডিও অফিস থেকে চূড়ান্ত নির্দেশিকা এলে সেই অনুযায়ী প্রস্তুতি রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ।
শিবিরে যাওয়ার আগে কী কী নথি সঙ্গে রাখবেন
- আধার কার্ড ও ভোটার কার্ডের ফটোকপি
- ব্যাংক পাসবইয়ের প্রথম পাতার ফটোকপি
- রেশন কার্ড (থাকলে)
- আগের আবেদনের রশিদ বা রেফারেন্স নম্বর, যদি আগে আবেদন করে থাকেন
- জমির খতিয়ান বা প্রয়োজনীয় শংসাপত্র, প্রকল্প অনুযায়ী
নির্দিষ্ট বিডিও অফিস, পৌরসভা বা পৌরনিগম থেকে চূড়ান্ত সময়সূচি ও প্রকল্পের তালিকা প্রকাশ হলে আপনার সংশ্লিষ্ট এলাকার তথ্য জেনে নেওয়াই ভালো, কারণ এলাকাভেদে কাউন্টারের সংখ্যা ও সময় আলাদা হতে পারে।









