পশ্চিমবঙ্গ

Yuba Sathi Scheme: যুবসাথী প্রকল্পের টাকা কবে মিলবে? ১ এপ্রিলের আগে সেরে ফেলুন এই কাজ, জারি হল কড়া নির্দেশিকা

Yuba Sathi Scheme: পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বহুপ্রতিক্ষিত ‘বাংলার যুবসাথী’ প্রকল্প নিয়ে বড়সড় আপডেট সামনে এল। রাজ্যের বেকার যুবক-যুবতীদের স্বাবলম্বী করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অফলাইনে যারা আবেদন জমা করেছিলেন, তাদের জন্য রাজ্য সরকারের যুব কল্যাণ ও ক্রীড়া দপ্তর (Department of Youth Services and Sports) একটি বিশেষ নির্দেশিকা জারি করেছে। এই নির্দেশিকায় ফর্মের ডেটা এন্ট্রি, স্টেটাস চেক এবং ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা ঢোকার সুনির্দিষ্ট সময়সীমা উল্লেখ করা হয়েছে।

অফলাইন আবেদনের ডিজিটাইজেশন প্রক্রিয়া

রাজ্যজুড়ে ‘দুয়ারে সরকার’ ক্যাম্প এবং বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে গত ১৫ই ফেব্রুয়ারি থেকে ২৬শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ পর্যন্ত যুবসাথী প্রকল্পের আবেদন জমা নেওয়া হয়েছিল। অফলাইনে জমা পড়া এই বিপুল সংখ্যক আবেদনপত্রগুলিকে অনলাইনে তোলার জন্য বা ডিজিটাইজ করার জন্য জেলাশাসকদের কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

  • কোথায় হবে কাজ? গ্রামীণ এলাকার ক্ষেত্রে ব্লক অফিসে এবং শহরাঞ্চলের ক্ষেত্রে মহকুমা শাসকের (SDO) দপ্তরে এই ডেটা এন্ট্রির কাজ চলবে। কলকাতা পৌরসভা এলাকার জন্য বরো অফিস বা নির্দিষ্ট সেন্ট্রাল স্থানে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।
  • সময়সীমা: আগামী ১০ দিনের মধ্যে, অর্থাৎ ১৫ই মার্চ, ২০২৬-এর মধ্যে সমস্ত অফলাইন ফর্ম পোর্টালে আপলোড করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
  • ডকুমেন্ট আপলোড: আবেদনপত্রের সঙ্গে জমা দেওয়া আধার কার্ড, ভোটার কার্ড, ব্যাঙ্কের পাশবই এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রমাণপত্র স্ক্যান করে আপলোড করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

কবে থেকে স্টেটাস চেক এবং টাকা?

আবেদনকারীদের মনে সবথেকে বড় প্রশ্ন হল, তারা কবে থেকে প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। এই বিষয়ে নোটিশে স্পষ্ট টাইমলাইন দেওয়া হয়েছে:

  • স্টেটাস চেক: অফলাইন আবেদনকারীদের ডেটা এন্ট্রি প্রক্রিয়া ১৫ই মার্চের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা। তাই ১৫ই মার্চ, ২০২৬-এর পর থেকে আবেদনকারীরা অনলাইনে নিজেদের আবেদনের স্থিতি বা স্টেটাস চেক করতে পারবেন।
  • টাকা প্রদান: সমস্ত প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হলে, আগামী ১লা এপ্রিল, ২০২৬ থেকে যোগ্য উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি অর্থ সাহায্য পাঠানো শুরু হবে বলে লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।

শীঘ্রই আসছে বিস্তারিত গাইডলাইন (SOP)

কারা এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন এবং কারা পাবেন না, তা নিয়ে ধোঁয়াশা কাটাতে রাজ্য সরকার খুব শীঘ্রই একটি বিস্তারিত স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর (SOP) প্রকাশ করতে চলেছে। বিশেষ করে যারা ইতিমধ্যেই ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’, ‘কৃষক বন্ধু’ বা বিভিন্ন ভাতার সুবিধা পাচ্ছেন, তারা যুবসাথী প্রকল্পে আবেদনের যোগ্য কিনা, তা এই নতুন গাইডলাইন বা এসওপি-তে পরিষ্কার করে দেওয়া হবে। ২১ থেকে ৪০ বছর বয়সী কর্মহীন যুবক-যুবতীদের এই প্রকল্পের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

প্রশাসন সূত্রে খবর, যুদ্ধকালীন তৎপরতায় ডেটা এন্ট্রির কাজ শেষ করার জন্য প্রতিটি ইউনিটে পর্যাপ্ত ডেটা এন্ট্রি অপারেটর (VLE) নিয়োগ করা হচ্ছে এবং তাদের ফর্ম পিছু নির্দিষ্ট পারিশ্রমিক দেওয়া হবে।

WBPAY Team

আমাদের প্রতিবেদন গুলি WBPAY Team এর দ্বারা যাচাই করে লেখা হয়। আমরা একটি স্বাধীন প্ল্যাটফর্ম যা পাঠকদের জন্য স্পষ্ট এবং সঠিক খবর পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের লক্ষ্য এবং সাংবাদিকতার মান সম্পর্কে জানতে, অনুগ্রহ করে আমাদের About us এবং Editorial Policy পৃষ্ঠাগুলি পড়ুন।
Back to top button