Bye Election Holiday: পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অর্থ দফতরের অডিট শাখা একটি স্মারক জারি করেছে গত 14 সেপ্টেম্বর 2026 তারিখে, স্মারক নং 3425-F(P2)। এতে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, আগামী 6 অক্টোবর 2026, মঙ্গলবার রেজিনগর ও নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনের দিন সরকারি ছুটি থাকবে। নির্বাচন কমিশনের প্রেস নোটের ভিত্তিতেই এই ছুটির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা প্রকাশিত হয়েছিল 7 সেপ্টেম্বর 2026-এ।
70-রেজিনগর বা 210-নন্দীগ্রাম কেন্দ্রের ভোটার হলে, কিংবা এই দুই এলাকায় কাজ করলে, এই নির্দেশনা আপনার জন্য প্রযোজ্য। তাহলে দেখে নেওয়া যাক স্মারকে ঠিক কী কী বলা হয়েছে বিস্তারিতভাবে।
সূচিপত্র
কাদের জন্য এই ছুটি প্রযোজ্য
নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্টস অ্যাক্ট, 1881-এর ধারা 25 অনুসারে এই দিনটিকে সরকারি ছুটি হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। রেজিনগর ও নন্দীগ্রাম কেন্দ্রের সীমানার মধ্যে থাকা এসব প্রতিষ্ঠান এদিন বন্ধ থাকবে
- সরকারি অফিস
- সরকারি সংস্থা ও আন্ডারটেকিং
- কর্পোরেশন ও বোর্ড
- স্ট্যাটুটরি ও লোকাল বডি
- শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও শ্রমিকদের কী হবে
শ্রম দফতরকেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে প্রভাবিত কেন্দ্রের অন্তর্গত দোকান, বাণিজ্যিক ও শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলি ভোটের দিনটি সবেতন ছুটি হিসেবে ঘোষণা করে। ফলে শুধু সরকারি চাকরিজীবীরাই নন, বেসরকারি সংস্থার কর্মীরাও এই সুযোগ পাবেন।
এখানে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক আছে। রিপ্রেজেন্টেশন অফ পিপল অ্যাক্ট, 1951-এর ধারা 135B(1) অনুযায়ী যাঁরা রেজিনগর বা নন্দীগ্রামের নথিভুক্ত ভোটার অথচ কর্মসূত্রে বাইরে কোথাও থাকেন, তাঁরাও সবেতন ছুটির অধিকারী। এমনকি ক্যাজুয়াল শ্রমিকদেরও এই সুবিধার আওতা থেকে বাদ রাখা হয়নি।
ভোটকর্মীদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা
পোলিং ডিউটিতে যাঁরা থাকবেন তাঁদের জন্যও কিছু বাড়তি ছাড় রাখা হয়েছে। ভোট প্রক্রিয়া শেষ হতে দেরি হলে বা রিসেপশন সেন্টার থেকে ফিরতে রাত হয়ে গেলে পরদিন সকালেই অফিসে হাজির হওয়াটা যে বাস্তবসম্মত নয়, সেটা মাথায় রেখেই এই ব্যবস্থা করা হয়েছে।
- 5 অক্টোবর, সোমবার: পোলিং স্টেশন, সেক্টর অফিস বা ডিস্ট্রিবিউশন-কাম-রিসেপশন সেন্টার হিসেবে ব্যবহৃত অফিস বা প্রতিষ্ঠানের সক্ষম কর্তৃপক্ষ চাইলে স্থানীয়ভাবে ছুটি ঘোষণা করতে পারবেন।
- 6 অক্টোবর, মঙ্গলবার: ভোটের দিন, ওই এলাকার সবার জন্যই সবেতন সরকারি ছুটি।
- 7 অক্টোবর, বুধবার: রিসেপশন সেন্টার থেকে দেরিতে ছাড়া পাওয়ার কারণে, প্রাপ্য ভোটকর্মীদের বিশেষ ছুটি দেওয়া যেতে পারে।
যদি কোনও কারণে পুনর্নির্বাচনের পরিস্থিতি তৈরি হয়, তাহলে সেই দিনও একই সবেতন ছুটির নিয়ম কার্যকর থাকবে।
এই দুই কেন্দ্রের বাইরে কাজ করলেও যদি ভোটার তালিকায় নাম থাকে, তাহলে ভোটার কার্ড বা তালিকার প্রমাণ দেখিয়ে নিয়োগকর্তার কাছে ছুটির আবেদন করা যাবে। মনে রাখা দরকার, এই নির্দেশ কেবল সরকারি কর্মচারীদের জন্য নয় বেসরকারি ও ক্যাজুয়াল শ্রমিকদের ক্ষেত্রেও সমানভাবে প্রযোজ্য।









