ডিএ

Grant-in-Aid DA: গ্রান্ট-ইন-এইড কর্মী ও শিক্ষকদের বকেয়া ডিএ চার কিস্তিতে মেটানোর প্রস্তাব

Nabanna Building With Rupees Hike
Nabanna Building With Rupees Hike

এক নজরে

  • রাজ্য সরকার রোপা ২০০৯-এর বকেয়া ডিএ মোট চারটি কিস্তিতে মিটিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে।
  • আগামী ৩রা সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রথম কিস্তির টাকা পেতে ই-সার্ভিস বুক আপডেট রাখা বাধ্যতামূলক।
  • গ্রান্ট-ইন-এইড প্রতিষ্ঠানের কর্মী ও শিক্ষকদের বকেয়া ডিএ মেটাতেও সদিচ্ছা প্রকাশ করেছে রাজ্য।
  • আগামী ১৮ই আগস্ট সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ শুনানি রয়েছে।

Grant-in-Aid DA: রাজ্য সরকারি কর্মী, পেনশনভোগী এবং গ্রান্ট-ইন-এইড প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের দীর্ঘদিনের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা (DA) নিয়ে আজ ১১ই আগস্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ খবর পাওয়া গেছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে গঠিত অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ইন্দু মালহোত্রার নেতৃত্বাধীন কমিটির কাছে রাজ্য সরকার রোপা ২০০৯ (ROPA 2009)-এর বকেয়া ডিএ মেটানো নিয়ে তাদের প্রস্তাব জমা দিয়েছে। এই প্রতিবেদনে জেনে নিন সরকারি কর্মচারী এবং গ্রান্ট-ইন-এইড কর্মীদের জন্য এই মুহূর্তে ঠিক কী পরিস্থিতি দাঁড়িয়ে আছে।

সূচিপত্র

রোপা ২০০৯-এর বকেয়া ডিএ মেটাতে চার কিস্তির প্রস্তাব

রাজ্য সরকার পঞ্চম বেতন কমিশনের আওতায় ২০০৮ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত সময়ের বকেয়া ডিএ মোট চারটি কিস্তিতে মিটিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে। প্রস্তাবিত সময়সূচি অনুযায়ী:

  • ২০২৬ সালে — প্রথম কিস্তি
  • ২০২৭ সালে — দ্বিতীয় ও তৃতীয় কিস্তি
  • ২০২৮ সালের জানুয়ারিতে — চতুর্থ ও শেষ কিস্তি
Advertisement

প্রথম কিস্তি পেতে কী শর্ত থাকছে?

মালহোত্রা কমিটি রাজ্য সরকারকে জানিয়েছে, প্রথম কিস্তির টাকা আগামী ৩রা সেপ্টেম্বরের মধ্যে মিটিয়ে দিতে হবে। তবে এক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত রাখা হয়েছে — শুধুমাত্র যেসব কর্মীর ই-সার্ভিস বুক (e-Service Book) ইতিমধ্যে আপডেট ও স্ক্যান করা হয়ে গিয়েছে, একমাত্র তাঁরাই এই কিস্তির টাকা হাতে পাবেন। ফলে যাঁদের সার্ভিস বুক এখনও আপডেট হয়নি, তাঁদের দ্রুত এই কাজ সেরে ফেলা জরুরি।

২০১৬-২০১৯ ও পেনশনভোগীদের বকেয়া ডিএ-র বর্তমান অবস্থা

রাজ্য সরকার ইতিমধ্যেই ২০১৬ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত সময়ের বকেয়া ডিএ রাজ্য সরকারি কর্মীদের পিএফ (PF) তহবিলে জমা করে দিয়েছে, আর শুধুমাত্র গ্রুপ ডি কর্মীদের ক্ষেত্রে সরাসরি স্যালারি অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি রাজ্য সরকার কমিটিকে জানিয়েছে, পেনশনভোগীদের ২০০৮ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত সময়ের বকেয়া ডিএ ইতিমধ্যেই সম্পূর্ণরূপে মিটিয়ে দেওয়া হয়েছে।

গ্রান্ট-ইন-এইড কর্মীদের জন্য কী বলছে রাজ্য?

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, পুরসভা, পঞ্চায়েত ও স্বশাসিত সংস্থার মতো গ্রান্ট-ইন-এইড প্রতিষ্ঠানের কর্মী ও পেনশনভোগীদের বকেয়া ডিএ নিয়ে মালহোত্রা কমিটির কাছে জমা দেওয়া নথিতে কোনো স্পষ্ট উল্লেখ নেই। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, গত জুলাই মাসে রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টকে লিখিতভাবে জানিয়েছিল যে গ্রান্ট-ইন-এইড প্রতিষ্ঠানগুলির বকেয়া ডিএ সরাসরি এই মামলার আওতায় পড়ে না। তা সত্ত্বেও রাজ্য সরকার জানিয়েছে যে তারা এই অনুদানপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মীদেরও বকেয়া ডিএ মেটাতে ইচ্ছুক — যা লক্ষাধিক গ্রান্ট-ইন-এইড কর্মী ও শিক্ষকের জন্য স্বস্তির বার্তা।

সুপ্রিম কোর্টে পরবর্তী শুনানি: ১৮ই আগস্ট

বকেয়া ডিএ মামলার পরবর্তী শুনানি হবে আগামী ১৮ই আগস্ট, যেখানে মালহোত্রা কমিটির পেশ করা রিপোর্ট নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। রিপোর্টটি আগেই সমস্ত সংশ্লিষ্ট সংগঠনকে পাঠানো হয়েছিল, এবং সেই ভিত্তিতে বিভিন্ন রেসপন্ডেন্ট সংগঠন আদালতে নিজেদের বক্তব্য পেশ করবে। এই দিনটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ গ্রান্ট-ইন-এইড কর্মী এবং কলকাতার পেনশনভোগীদের বকেয়া ডিএ নিয়ে সম্ভাব্য কোনো নির্দিষ্ট সমাধান বা নির্দেশিকা এই শুনানিতেই আসতে পারে।

Munmun Bera

Munmun Bera

Munmun Bera is the founder and editor of WBPAY.in. She has a background in finance and more than seven years of work in West Bengal state departmental accounting, including WBIFMS, pay fixation under ROPA 2019, DA, GPF and income tax for salaried employees. She decides what WBPAY.in covers and checks articles before they are published. Articles are drafted with the… more>>