[New] 2016 থেকে 2019 পর্যন্ত বকেয়া ডিএ ক্যালকুলেটর

Calculate Now!
চাকরি

Primary Recruitment Case: ২০২৫ প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে সবুজ সংকেত! স্থগিতাদেশের মামলা খারিজ করল হাইকোর্ট, তবে জারি হল নতুন নির্দেশ

Primary Recruitment Case: পশ্চিমবঙ্গের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ রায় দিল কলকাতা হাইকোর্ট। ২০২৫ সালের নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ার ওপর স্থগিতাদেশ চেয়ে করা একটি মামলা সরাসরি খারিজ করে দিয়েছেন বিচারপতি। এই রায়ের ফলে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করতে আর কোনো আইনি বাধা রইল না, তবে মামলাকারীদের জন্যও কিছু গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

মামলার প্রেক্ষাপট ও আবেদনকারীদের দাবি

প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ ২০২৫ সালে অ্যাসিস্ট্যান্ট টিচার নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছিল। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল যে, পূর্বের টেট উত্তীর্ণ প্রার্থীরা এই নিয়োগে অংশ নিতে পারবেন। এই পরিস্থিতিতে ২০১৭ এবং ২০২২ সালের টেট পরীক্ষায় কয়েক নম্বরের জন্য অনুত্তীর্ণ এবং প্রশ্নভুল মামলার সঙ্গে যুক্ত বেশ কিছু চাকরিপ্রার্থী হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন।

তাঁদের মূল দাবি ছিল দুটি:

  • প্রথমত, প্রশ্নভুল মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি করে তাঁদের টেট পাস হিসেবে ঘোষণা করা হোক।
  • দ্বিতীয়ত, যত দিন না পর্যন্ত তাঁদের উত্তীর্ণ ঘোষণা করা হচ্ছে, তত দিন পর্যন্ত ২০২৫ সালের নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ার ওপর স্থগিতাদেশ জারি রাখা হোক।

পর্ষদের যুক্তি ও হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ

শুনানি চলাকালীন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের আইনজীবী জানান, এখনো পর্যন্ত শুধুমাত্র নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে, অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়া শুরুই হয়নি। তাই এই পর্যায়ে নিয়োগে স্থগিতাদেশ চাওয়ার আবেদনটি ‘প্রিম্যাচিওর’ বা অপরিণত। পর্ষদের এই যুক্তিতেই মান্যতা দেয় কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গেল বেঞ্চ।

বিচারপতি সম্পা দত্তপাল মামলাটি সরাসরি খারিজ করে দেন এবং স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ার ওপর কোনোভাবেই স্থগিতাদেশ দেওয়া হবে না।

আদালতের চূড়ান্ত নির্দেশ

মামলা খারিজ করার পাশাপাশি আদালত কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিয়েছে:

  • ২০২৫ সালের নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনও স্থগিতাদেশ থাকবে না
  • প্রশ্নভুল মামলা খতিয়ে দেখার জন্য গঠিত কমিটিকে দ্রুততার সঙ্গে রিপোর্ট জমা দিতে হবে।
  • কমিটির রিপোর্টের ভিত্তিতে যদি আবেদনকারীরা টেট পাস করেন, তবে পর্ষদকে অবিলম্বে তাঁদের উত্তীর্ণ হিসেবে ঘোষণা করতে হবে।

আদালত আরও জানিয়েছে, যখন নিয়োগের জন্য ফর্ম ফিলাপ শুরু হবে, তখন যদি প্রশ্নভুল মামলার সঙ্গে যুক্ত প্রার্থীরা মনে করেন যে তাঁরা বঞ্চিত হচ্ছেন, তাহলে তাঁরা পুনরায় আদালতের দ্বারস্থ হতে পারবেন। তবে বর্তমান মামলাটি খারিজ হয়ে যাওয়ায় মামলাকারীদের আইনি লড়াইয়ের খরচ কার্যত বৃথা গেল।

মামলার বিবরণ

রিট পিটিশন নম্বর24034 of 2025
মামলাকারীইরিন তাবসুম বনাম স্টেট অফ ওয়েস্ট বেঙ্গল
বিচারপতিমাননীয়া বিচারপতি সম্পা দত্তপাল
মামলার স্থিতিডিসপোজড (Disposed) এবং ডিসমিসড (Dismissed)

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই মুহূর্তে নিয়োগে স্থগিতাদেশ না চেয়ে প্রশ্নভুল মামলার রিপোর্ট দ্রুত জমা দেওয়ার জন্য আবেদন করাই মামলাকারীদের জন্য সঠিক পদক্ষেপ হতো। কারণ, যিনি এখনও টেট পাস করেননি, তাঁর পক্ষে নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্থগিতাদেশ চাওয়ার আইনি ভিত্তি দুর্বল।

Munmun Bera

মুনমুন বেরা WBPAY.in-এর সম্পাদক ও প্রকাশক। ২০১৮ সাল থেকে তিনি পশ্চিমবঙ্গ সরকারি কর্মচারীদের জন্য তথ্যভিত্তিক সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত। বেতন, মহার্ঘ ভাতা, জিপিএফ, পেনশন, আয়কর, সরকারি প্রকল্প এবং চাকরির নিয়মকানুন বিষয়ক সঠিক ও যাচাইযোগ্য তথ্য সহজ বাংলায় পৌঁছে দেওয়াই এই প্ল্যাটফর্মের মূল লক্ষ্য। WBPAY.in-এর সম্পাদকীয় দলে রয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের WBIFMS-সহ বিভিন্ন… More »
Back to top button