নির্দেশিকা

School DDO Appointment: বিদ্যালয়ে ডিডিও নিয়োগ ও দায়িত্ব সংক্রান্ত নতুন নির্দেশিকা জারি

A Teacher In A Class Room
A Teacher In A Class Room

এক নজরে

  • সংশ্লিষ্ট সার্কেলের সাব-ইন্সপেক্টর অফ স্কুলস বা এসআই-কে নতুন ডিডিও হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে।
  • ম্যানেজিং কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর স্কুলের আর্থিক কাজ সচল রাখতেই এই পদক্ষেপ।
  • ১৫ই মে ২০২৪ থেকে এই নতুন নির্দেশিকা অবিলম্বে কার্যকর করার কথা বলা হয়েছে।
  • যে সব স্কুলে ইতিমধ্যেই অ্যাডমিনিস্ট্রেটর রয়েছেন সেখানে এই নতুন ডিডিও নিয়োগ প্রযোজ্য হবে না।
  • ডিডিও-র মূল কাজ হলো বিদ্যালয়ের আর্থিক লেনদেন এবং ফান্ড পরিচালনার দায়িত্ব সামলানো।

পশ্চিমবঙ্গের সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত বিদ্যালয়গুলোতে প্রশাসনিক শূন্যতা কাটাতে এবং আর্থিক লেনদেনের জটিলতা দূর করতে এক বড় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি পূর্ব বর্ধমান জেলার ডিআই (সেকেন্ডারি) অফিস থেকে এ নিয়ে একটি বিশেষ বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে, যেখানে স্কুলের ডিডিও বা ড্রয়িং অ্যান্ড ডিসবার্সিং অফিসার নিয়োগের বিষয়টি পরিষ্কার করা হয়েছে।

ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি এবং ‘পারসন ইন্টারেস্টেড ইন এডুকেশন’-এর মেয়াদ শেষ করা হয়েছে । গত ১৪ই মে-র বিজ্ঞপ্তির সূত্র ধরে ১৫ই মে একটি নতুন গাইডলাইন প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, এখন থেকে সংশ্লিষ্ট সার্কেলের সাব-ইনস্পেক্টর অফ স্কুলস (SI) ওই সার্কেলের স্কুলগুলোর ডিডিও হিসেবে কাজ করবেন।

১৫ই মে ২০২৬ থেকেই এই নির্দেশিকা কার্যকর হয়েছে। তবে সব স্কুলের ক্ষেত্রে এই নিয়ম নয়। যে সব স্কুলে আগে থেকেই আলাদা অ্যাডমিনিস্ট্রেটর বা ডিডিও রয়েছেন, তাদের ক্ষেত্রে এই নির্দেশের কোনো প্রভাব পড়বে না। অর্থাৎ, যেখানে প্রশাসনিক কোনো কর্তৃপক্ষ নেই, শুধুমাত্র সেখানেই এসআই ডিডিও হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

ডিডিও-র মূল কাজ হলো স্কুলের আর্থিক দিকটি দেখাশোনা করা। স্কুল চালাতে গেলে প্রতিদিনের খরচ, মিড-ডে মিলের টাকা কিংবা শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীদের বেতনের বিল তৈরির মতো জরুরি কাজ থাকে। ম্যানেজিং কমিটি না থাকলে এই কাজগুলো থমকে যায়। ডিডিও নিয়োগের মাধ্যমে সেই প্রক্রিয়াটিকেই সচল রাখা হল।

Advertisement

একজন ডিডিও মূলত স্কুলের ফান্ড পরিচালনা ও আর্থিক নথিতে স্বাক্ষর করার ক্ষমতা রাখেন। তবে একটি বিষয় মাথায় রাখা প্রয়োজন, স্কুলের অভ্যন্তরীণ পড়াশোনা বা সাধারণ প্রশাসনিক বিষয়ে ডিডিও সাধারণত নাক গলান না। তাঁর মূল লক্ষ্য থাকে যাতে স্কুলের দৈনন্দিন কাজের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ ঠিকঠাক পৌঁছায় এবং কর্মীরা সময়মতো বেতন পান।

পূর্ব বর্ধমান জেলায় এই প্রক্রিয়া শুরু হলেও ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, রাজ্যের অন্য জেলাগুলোতেও খুব শীঘ্রই একই রকম নির্দেশিকা আসবে। অনেক ক্ষেত্রে সরাসরি স্কুলের রেজিস্টার্ড ইমেল আইডিতে এই নির্দেশিকা পাঠানো হচ্ছে। তাই প্রধান শিক্ষক বা ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকদের নিয়মিত ইমেল এবং ডিআই অফিসের পোর্টালে নজর রাখাটা এখন খুব জরুরি।

ডিডিও নিয়োগের ফলে সবথেকে বড় সুবিধা হলো শিক্ষক ও কর্মীদের কাজের গতি বাড়বে। বেতন বা বকেয়া এরিয়ার সংক্রান্ত ফাইলগুলো এখন আর আটকে থাকবে না। তবে নতুন ডিডিও-র অধীনে কাজ করার সময় ক্যাশ বুক আপ-টু-ডেট রাখা এবং সমস্ত ভাউচার গুছিয়ে রাখাটা খুবই জরুরি, কারণ যেকোনো সময় আর্থিক অডিট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

Munmun Bera

Munmun Bera

Munmun Bera is the founder and editor of WBPAY.in. She has a background in finance and more than seven years of work in West Bengal state departmental accounting, including WBIFMS, pay fixation under ROPA 2019, DA, GPF and income tax for salaried employees. She decides what WBPAY.in covers and checks articles before they are published. Articles are drafted with the… more>>